| প্রচ্ছদ

মুক্তি পাবে আগামী বছর মার্চে

ময়নার ‘দ্রোহ’ মঞ্চ থেকে এবার রূপালী পর্দায়

পুণ্ড্রকথা রিপোর্ট
পঠিত হয়েছে ১০৫ বার। প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০১৯ । আপডেট: ২৭ মার্চ ২০১৯ ।

বগুড়ার প্রখ্যাত নাট্যকার তৌফিক হাসান ময়না রচিত মঞ্চ নাটক ‘দ্রোহ’ কে বড় পর্দা বা চলচ্চিত্রে রূপ দেওয়া হচ্ছে। মঞ্চের নাটককে পূর্ণদৈর্ঘ্যরে চলচ্চিত্রে রূপান্তরের কাজটি করছেন স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাতা বগুড়া থিয়েটারের সিনিয়র সদস্য সুপিন বর্মণ। বুধবার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দ্রোহ’র রচয়িতা তৌফিক হাসান ময়না। উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাদেকুর রহমান সুজন ও চলচ্চিত্র নির্মাতা সুপিন বর্মণ।
যমুনা নদীর ভাঙন কবলিত পূর্ব বগুড়ার মানুষের জীবন যুদ্ধকে উপজীব্য করে প্রায় ৪ বছর আগে ‘দ্রোহ’ নামে মঞ্চ নাটক রচনা করেন বগুড়া থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি তৌফিক হাসান ময়না। নাটকটি এরই মধ্যে বগুড়া ছাড়াও রাজশাহী ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মঞ্চস্থ করা হয়। পরবর্তীতে ভারতের কোলকাতাতেও মঞ্চস্থ হয়।
বুধবার সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নানাবিধ কারণে চলচ্চিত্র শিল্প আজ হুমকির মুখে পড়লেও বর্তমান প্রজন্ম তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসছে। তারকা শিল্পী কিংবা বড় বিনিয়োগের দিকে না তাকিয়ে তারা শুধু গল্প আর নির্মাণ শৈলীকে কাজে লাগিয়ে বিকল্প ধারায় চলচ্চিত্র নির্মাণ করছে। যা আন্তর্জাতিক পরিম-লে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বও করছে। সেই ধারায় ঢাকার বাইরে বগুড়ায় এই প্রথম চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে জনপ্রিয় মঞ্চ নাটক ‘দ্রোহ’ কে বেছে নেওয়া হয়েছে।
নির্মাতা সুপিন বর্মণ জানান, যেহেতু যমুনা নদীর ভাঙ্গণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সুখ-দুঃখকে কেন্দ্র করে ‘দ্রোহ’ রচিত হয়েছে তাই ওই চলচ্চিত্রটির দৃশ্য চিত্রায়নের ক্ষেত্রে বগুড়ার সারিয়াকান্দির যমুনা পাড়ের জনপদকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। মূল চরিত্রে ৩০ জনেরও বেশি অভিনয় শিল্পী অংশ নিচ্ছেন। তবে গল্পের প্রয়োজনে নদী পাড়ের বিপুল সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ থাকবে। আগামী বছরের মার্চ মাসে মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা চলতি বছরের জুলাই মাসেই শুট্যিং শুরু করবো’।
তৌফিক হাসান ময়না জানান, দ্রোহকে চলচ্চিত্রে রূপদানের জন্য দর্শকরা দীর্ঘদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছিলেন। মূলত তাদের অনুরোধেই ১ ঘন্টা ৪০ মিনিটের চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে অনেক নির্মাতা ইতিপূর্বে বেশ ক’টি মঞ্চ নাটককে চলচ্চিত্রে রূপ দিয়েছেন এবং সেগুলো দর্শকরাও দারুণ উপভোগ করেছেন। আশাকরি দ্রোহও বড় পর্দায় সাড়া ফেলবে।’ 

 

মন্তব্য