| প্রচ্ছদ

ওজন কমানোর ৫ কৌশল

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৬৮ বার

অতিরিক্ত ওজন সকল মানুষের জন্য ক্ষতিকর। অতিরিক্ত ওজনের ফলে হতে পারে হার্টের সমস্যা, ডায়াবেটিস, রক্তচাপের মতো ভয়াবহ অসুক। আর এসব অসুখের সূত্র পেটের এই মেদ থেকেই। যাকে সাধারণত বলা হয় ‘বেলি ফ্যাট’।

পেটের মেদ নিয়ে সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। কারণ পেটের মেদের জন্য নারী কিংবা পুরুষ সবারই দৈহিক সৌন্দর্য ব্যাঘাত ঘটে। পেটের মেদ কমলে আপনার ওজনও কমবে।

পেটের মেদ যদি সত্যি কমাতে চান তবে অবশ্যই আপনাকে মানতে হবে কিছু পরামর্শ।

আসুন জেনে নেই পেটের মেদ কমানোর কিছু টিপস-

গ্রিন টি ওজন কমায়

গ্রিন টিতে রয়েছে ফ্লেভোনয়েড নামক একটি উপাদান, যা আসলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি এমন একটি শক্তিশালী উপাদান যা সব দিক থেকে শরীরকে চাঙ্গা রাখে। গ্রিন টি রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া কেটেচিন নামেও একটি উপাদান থাকে এই চায়ে, যা ভিটামিন 'ই' ও 'সি'-এর থেকেও বেশি শক্তিশালী, যা শরীরে প্রবেশ করে একাধিক উপকার করে।

গ্রিন টি ওজন কমায়। গ্রিন টি হজম প্রক্রিয়াকে বাড়িয়ে শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। গ্রিন টি উপস্থিত কেটাচিন পেটের মেদ ঝরাতে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই অতিরিক্ত ওজন কমাতে নিয়মিত গ্রিন টি খেতে পারেন। চিনিমুক্ত খাবার

পেটের মেদের অন্যতম কারণ হচ্ছে চিনি।ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে চিনিমুক্ত খাবার। আপনার ডায়েট চার্ট থেকে আজই চিনি বাদ দিন। গ্লুকোজ এবং ফ্রুকটোজে থাকা চিনিতে কার্বোহাইড্রেট থাকে। এগুলো প্রচুর পরিমাণে খেলে গ্লাইটোজেনে পরিণত হয়। যা ফ্যাট টিস্যুতে জমা হয়। এক্ষেত্রে পরিশোধিত চিনি খাওয়ার পরিবর্তে খাবার এবং ফলমূল খেতে হবে যেগুলোতে প্রাকৃতিক চিনি রয়েছে।

খাদ্যতালিকায় প্রোটিন রাখুন

প্রোটিন পেটে চর্বি জমতে বাধা দেয়। প্রোটিনের চাহিদা পূরণের জন্য আপনি খাদ্যতালিকায় পনির, টকদই, ডিম, লাল মাংস রাখতে পারেন।

প্রচুর আঁশসমৃদ্ধ খাবার

আঁশ সমৃদ্ধ খাবার পেটের চারপাশে চর্বি জমতে দেয় না। খাবার খাওয়ার দীর্ঘসময়ও পেট ভর্তি মনে হয়।

হাঁটাচলা

আমাদের দৈনন্দিন জীবন-যাপনের কারণেই পেটে চর্বি জমে। সাধারণত যারা কর্মক্ষেত্রে দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করেন তাদেরই ওজন বেড়ে যায় এবং নানান রোগে ভুগেন। সুস্থ থাকতে হলে হাঁটার কোনো বিকল্প নেই। উঠানামায় লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ভাঙার অভ্যাস করতে হবে।

মন্তব্য