| প্রচ্ছদ

এবার ফেরদৌসের সমালোচনায় নরেন্দ্র মোদি

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৪৯ বার

ভারতের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে বেশ সমালোচিত ঢাকাই ছবির চিত্রনায়ক ফেরদৌস।

এ বিষয়ে ভারতে ‘কালো তালিকাভুক্ত’ হয়ে ভিসা বাতিল হয় তার। তাকে গ্রেফতারের দাবিও জানায় বিজেপির নেতাকর্মীরা। পরে ১৬ এপ্রিল রাতেই ঢাকা ফিরতে হয় তাকে ।

এবার ভারতের নির্বাচনে বিদেশি নাগরিক হিসেবে তৃণমূলের নির্বাচনী প্রচারে ফেরদৌসের অংশগ্রহণ বিষয়ে সমালোচনা করলেন খোদ বিজেপিপ্রধান নরেন্দ্র মোদি।

শনিবার (২০ এপ্রিল) সকালে পশ্চিমবঙ্গের বুনিয়াদপুরের নির্বাচনী সভায় মোদি বলেন, বিদেশিদের নিয়ে এসে নির্বাচনে প্রচার চালিয়েছে তৃণমূল। এ ঘটনা থেকেই পরিষ্কার হয়েছে যে তৃণমূলের অবস্থা কতটা খারাপ!

ভোট ব্যাংক বাড়াতে মমতা ব্যানার্জি যে কোনো কাজ করতে পারেন মন্তব্য করে মোদি বলেন, বিদেশিদের নিয়ে এসে নির্বাচনী প্রচার চালানো ভারতের ইতিহাসে নজির ছিল না। এটা কখনই মেনে নেয়া যায় না।

তৃণমূলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিষয়েও কড়া সমালোচনা করেন মোদি। তিনি বলেন, পিসি ভাইপো মিলে বাংলার সর্বনাশ করছেন।

নরেন্দ্র মোদি বাংলায় উচ্চারণ করেন, সারাদেশ জানে পশ্চিমবঙ্গে নতুন কিছু হতে চলেছে। তাহলো এখানে এবার বিজেপির সমর্থনের ঢেউ বইছে।

এ সময় সভায় আগত জনগণদের দেখিয়ে বলেন, বিজেপির জনসমর্থন দেখে দিদির ঘুমে স্পিড বেকার পড়ে গিয়েছে। এই বৈশাখের তীব্র দাবদাহ উপেক্ষা করে হাজার হাজার মানুষ এই সভায় এসেছেন। বিজেপির প্রচারে মানুষ অংশ নিচ্ছেন।

দ্বিতীয় দফার ভোটে পশ্চিমবঙ্গের মানুষেরা এবার বিজেপিকেই ভোট দেবে বলে মনে করেন মোদি।

প্রসঙ্গত গত ১৪ এপ্রিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ আসনে তৃণমূল প্রার্থী কানহাইয়ালাল আগরওয়ালের নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেন ফেরদৌস।

এরপর এ নিয়ে ভারতের রাজনীতির মাঠে চলে তুমুল বির্তক। ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) দেশটির নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করে ফেরদৌসের গ্রেফতারের দাবি জানায়। তাকে ঘিরে নানা নাটকীয়তা চলতে থাকে।

এরপর দেশে ফিরে আসেন ফেরদৌস। ভুল করেছেন স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চান তিনি।

আবেগতাড়িত হয়ে ভারতের নির্বাচণী প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন বলে জানান তিনি। তবু দেশের রাজনৈতিক মহলে ও সোশ্যাল মিডিয়ায় নানাভাবে তিরস্কৃত হচ্ছেন ফেরদৌস।

মন্তব্য