| প্রচ্ছদ

আফ্রিদির আত্মজীবনী নিষিদ্ধে মামলা

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৭১ বার

প্রকাশিত হতেই পাকিস্তানের সাবেক তারকা ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদির আত্মজীবনী ‘গেইম চেঞ্জার’ নিয়ে হচ্ছে নানা বিতর্ক। এর মধ্যে বইটি নিষিদ্ধের জন্য সিন্ধু আদালতে পিটিশন দায়ের করেছেন এক আইনজীবী।

পিটিশিন দায়েরকারী আইনজীবীর নাম অ্যাডভোকেট আব্দুল জলিল। তার দাবি, বইয়ে আফ্রিদি সাবেক তারকা ক্রিকেটারদের প্রসঙ্গে মানহানিকর নানান শব্দ ব্যবহার করেছেন। তাদের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে।

গেইম চেইঞ্জারে আফ্রিদি পাকিস্তানের সাবেক কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান জাভেদ মিঁয়াদাদকে বোঝাতে ‘স্মল ম্যান’, ভারতের সাবেক ওপেনার গৌতম গম্ভীরকে ‘সরিয়ল’ (বদমেজাজী) শব্দ প্রয়োগ করেছেন আফ্রিদি। এসব শব্দ ব্যবহার করে আফ্রিদি এসব তারকাদের ভক্তদের মনে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সম্মান এবং খেলাটির মর্যাদায় আঘাত করেছেন বলে মনে করেন আইনজীবী জলিল।

এছাড়া বইটিতে ওয়াকার উইনিস ও ২০১০ সালে মোহাম্মদ আমির ও সালমান বাটদের স্পট ফিক্সিং নিয়েও নেতিবাচক তথ্য দিয়েছেন আফ্রিদি। তবে ওয়াসিম আকরাম, ইমরান খান ও প্রয়াত কোচ বব উলমারের প্রশংসা করেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক।

আত্মজীবনীতে নিজের বয়স নিয়েও বিতর্ক ছড়িয়েছেন আফ্রিদি। লিখেছেন, তার জন্ম ক্রিকইনফো বা অন্যান্য তথ্য-উপাত্তে উল্লেখ করা ১৯৮০ সালে নয়, ১৯৭৫ সালে। সে হিসেবে তার বর্তমান বয়স ৩৯ নয়, ৪৪।

তাই হলে ১৯৯৬ সালে নাইরোবিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডেতে ৩৭ বলে রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরিটি ১৬ বছর বয়সে হাঁকাননি আফ্রিদি। তখন তার প্রকৃত বয়স হওয়ার কথা ২১। কিন্তু এ ব্যাপারে আফ্রিদির লেখাতে মিল পাওয়া যাচ্ছে না। ১৯৭৫ সালে জন্ম নিয়েও ১৯৯৬ সালে তার বয়স ছিল নাকি ১৯!

বিতর্ক থামাতে আফ্রিদি এরই মধ্যে টুইট করেছেন আফ্রিদি। তিনি লিখেছেন, “আমার বই গেইম চেঞ্জার আমার জীবনের অভিজ্ঞতা। আমি কাউকে আঘাত দেওয়ার জন্য বা কাউকে রক্ষা করার লিখি নাই। পড়ার জন্য সবাইকে শুভেচ্ছা।”

মন্তব্য