| প্রচ্ছদ

ঈদের কেনাকাটা

বগুড়া হকার্স মার্কেটে ভিড় বাড়ছে: মেয়েদের পছন্দের শীর্ষে টিস্যু ও নেট কাপড়

মিষ্টি রহমান
পঠিত হয়েছে ১৯৮ বার। প্রকাশ: ১৯ মে ২০১৯ ।

ঈদের চাঁদ উঠতে এখনও অনেক দেরি। কিন্তু এরই মধ্যে কেনাকাটা শুরু হয়ে গেছে। শহরের মার্কেট ও শো-রুমগুলো ঘুরে দেখা গেছে রেলওয়ে হকার্স মার্কেটে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের ভিড় তুলনামূলক বেশি। মূলত অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে মানসম্মত সব ধরনের তৈরি পোষাক, শাড়ি, শার্ট-প্যান্ট, শিশু পোষাক এবং জুতা-স্যান্ডেল পাওয়া যায় বলেই নিম্মবিত্ত পরিবারের লোকজনের ভিড় একটু বেশি থাকে। তবে মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্তদের দেখা মেলে এখানে।
বগুড়াবাসীর কাছে ‘হকার মার্কেট’ নামে পরিচিত ওই মার্কেটের দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে. গতবারের মতো এবারেও থ্রি-পিস, ফোর পিস, গাউন, ফ্রক, শাড়ি, পাঞ্জাবী, গেঞ্জি, শার্ট ও জিন্সসহ বাহারী দেশীয় পোশাক দোকানে দোকানে শোভা পাচ্ছে। গুণগত মান, কারুকাজ, রং এবং কাপড়ের ধরণ অনুযায়ী এসব পোষাকের দামের ভিন্নতা রয়েছে। 
দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে. এবারের ঈদে মেয়েরা টিস্যু এবং নেট কাপড়ের ওপর অ্যামব্রডারি ও নানা কারুকাজে খচিত এবং গাউনের দিকে ঝুঁকেছেন। এসবের দাম হাঁকা হচ্ছে দেড় থেকে ৩ হাজার টাকা।
নেট, সিল্ক ও টিস্যুর গজ কাপড় বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০০ টাকায়। এর পাশাপাশি অনেকেই সূতি জামার দিকে নজর দিচ্ছেন। দাম ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা মধ্যে।
জুতার দোকানগুলোতে গিয়ে দেখা গেছে, মেয়েরা তাদের জামার সাথে মিলিয়ে কারুচুপির কাজ করা সু ও হিল আর ছেলেরা কিনছেন চটি স্যান্ডেল। দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শহরের অন্যান্য মার্কেট ও বিপণীবিতানগুলোর তুলনায় দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় প্রায় সব পেশার মানুষই এই মার্কেট থেকে পণ্য ক্রয় করে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। ছেলে-মেয়ে উভয়েরই জুতার দাম প্রসঙ্গে বিক্রেতারা বলেন, আমাদের এখানে ১৫০ থেকে ১৮০০ টাকায় জুতা কেনা-বেচা হচ্ছে।
ওই মার্কেটের জুয়েলারির দোকানগুলোতে ঢুঁ মেরে দেখা গেছে, ঈদ উপলক্ষ্যে দোকানগুলোতে বাহারী সেটের অলঙ্কার সাজিয়ে রাখা হয়েছে। মেয়েদের পছন্দের কথা মাথায় রেখে ঝুমকা, স্টোনের ব্রেসলেট, অক্সি দুল, নেকলেস ও পাথর বসানো চুড়ির কদরই বেশি। এসব মিলছে মাত্র দেড় শ’ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে।
শহরের সুত্রাপুর থেকে কেনাকাটা করতে আসা সোমাইয়া ইসলাম বলেন, ‘টিস্যু শাড়ি পরলেও থ্রি-পিস পরা হয়নি। তাই ঈদে তিনি টিস্যু কাপড় কিনেছেন। তবে দামটা একটু বেশিই মনে হলো।’ ঝিনুক নামে অপর একজন ক্রেতা জানালেন, তিনি তার বোনের জন্য ১৩০০ টাকা দরে টিস্যু ও সুতি থ্রি-পিস পেয়ে দারুণ খুশি। দোকানিরা জানান, পনের রমজানের পর থেকে ছেলেদের ভিড় বাড়বে। তাদের অনেকের আশঙ্কা ধানের দাম কম হওয়ায় এবার বেচা-কেনা আশানুরূপ নাও হতে পারে।

মন্তব্য