| প্রচ্ছদ

বাগানে লিচু খেতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৯৫ বার। প্রকাশ: ০১ জুন ২০১৯ ।

লিচু বাগানে লিচু খেতে গিয়ে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে ষষ্ঠ শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রী। ধর্ষণের অভিযোগে লিচু বাগানের পাহারাদার মো. খলিল (২৩) এবং রনজিত দেবনাথ (৩০) নামে দুইজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী।

ধর্ষক মো. খলিল উপজেলার শতগ্রাম ইউনিয়নের প্রসাদপাড়া গ্রামের মৃত রফিক খাঁর ছেলে এবং রনজিত দেবনাথ জেলার খানসামা উপজেলার আলোকঝাড়ি ইউনিয়নের শুলশুলি গ্রামের কমল দেবনাথের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দুপুরে উপজেলার শতগ্রাম ইউনিয়নের রাঙ্গালীপাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপাল মাষ্টারের লিচু বাগানে লিচু খেতে যায় ছাত্রীটি। এ সময় ছাত্রীকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বাগানের দুই পাহারাদার মো. খলিল এবং রনজিত দেবনাথ।

ছাত্রীটি বাগান থেকে কাঁদতে কাঁদতে বেড়িয়ে যাওয়ার সময় আশেপাশের লোকজন তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ সময় সে ঘটনা খুলে বললে এলাকাবাসী ছুটে গিয়ে দুই পাহারাদারকে আটক করে এবং পুলিশকে খবর দেয়।

খবর পেয়ে বীরগঞ্জ থানার এসআই মো. আমজাদ আলীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে দুই ধর্ষককে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।

এ ব্যাপারে এসআই মো. আমজাদ আলী জানান, গ্রেপ্তারকৃত মো. খলিল এবং রনজিত দেবনাথ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। ভিকটিমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

রনজিত দেবনাথের বাড়ি জেলার খানসামা উপজেলার আলোকঝাড়ি ইউনিয়নের শুলশুলি গ্রামে হলেও সে দীর্ঘদিন ধরে বীরগঞ্জ উপজেলা শতগ্রাম ইউনিয়নের প্রসাদপাড়া গ্রামে শ্বশুর সুরেশ রায়ের বাসায় থাকেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

বীরগঞ্জ থানার ওসি শাকিলা পারভিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সংবাদ পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে ভিকটিমের পরিবারকে পুলিশের পক্ষ থেকে সব রকমের সাহায্য করা হবে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

মন্তব্য