| প্রচ্ছদ

দুইয়ে শাকিব, চারে বাপ্পি

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৬৪ বার। প্রকাশ: ৩০ জুন ২০১৯ ।

এফডিসি মানেই যেন লাইট,ক্যামেরা অ্যাকশন। অভিনয়শিল্পী আর চলচ্চিত্রের কলাকৌশলীদের পদচারণায় মুখর থাকা এক অঙ্গন। যদিও আগের মতো সেই জৌলুস আর এফডিসির নেই। তবে একাধিক ছবির শুটিং হলে কিছুটা হলেও আগের জৌলুসের টের পাওয়া যায়।

এফডিসিতে চলছে দুই ছবির শুটিং। দুই নম্বর ফ্লোরে শুটিং করছেন শাকিব খান ও বুবলী। জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ছবিটির নাম ‘মনের মতো মানুষ পাইলাম না’। শাকিব বুবলী ছাড়া আরও অনেক শিল্পীিই অংশ নিয়েছেন এতে।। গতকাল কড়ই তলায় ছবিটির জন্য কাঁচা বাজার বানিয়ে শুটিং করতেও দেখা গেলো। 

অন্যদিকে ৪ নম্বর ফ্লোরে হচ্ছে বাপ্পি চৌধুরী, নুসরাত ফারিয়া ও নুসরাত ইমরোজ তিশা অভিনীত আলোচিত ছবি ‘ঢাকা ২০৪০’। ঢাকা অ্যাটাক’খ্যাত পরিচালক দীপংকর দীপনের দ্বিতীয় ছবি এটি। ভবিষ্যত ঢাকা কেমন হবে? এ প্রশ্নের উত্তর নিয়েই নির্মিত হচ্ছে স্যোসাল ড্রামাবেজ ছবি ‘ঢাকা ২০৪০’। সপ্তাহ ধরে বাপ্পি চৌধুরী ও নুসরাত ফারিয়া শুটিং করছেন এফডিসির মুল গেটের কাছের অবস্থিত ৪ নম্বর ফ্লোরে।

এফডিসি সবসময় শুটিং ব্যস্ততায় থাকুক এমনটি চাওয়া সবার। নতুন নতুন প্রযোজক আসুক, ভালো ভালো চলচ্চিত্র নির্মিত হোক এমনটিই প্রত্যাশা সবার।

‘একটা সময় এফডিসিতে কেমন শূটিং হতো সেটা তো আমি নিজে সাক্ষী। এক ফ্লোরে রাজ্জাক স্যার, অন্যফ্লোরে আলমগীর সাহেব।  ফারুক সাহেব, সোহেল রানা সাহেব সবাই কোন না ফ্লোরে শুটিং করতেন। শুটিংয়ের ফাঁকে তাদের মধ্যে আড্ডা হতো। কে কার চেয়ে ভালো ছবি উপহার দিতে পারে সে প্রতিযোগিতা হতো। সেই এফডিসিই আমরা ফেরত পেতে চাই। আমরা চাইছি চলচ্চিত্রের অবস্থা আবারও সে অবস্থানে ফিরে আসুক সে জন্য নিজেই সিনেমা প্রযোজনা করছি।’ বলেন ঢাকাই ছবির সেরা নায়ক শাকিব খান। ঢাকাই ছবির দুই যুগের দাপট দেখানো নায়ক তিনি। তার কাধে ভর করেই ঢাকাই ছবি ধীর পায়ে হলেও সামনে চলছে।

সিনেমার সুদিন ফিরবে। সেটা অতি শিগিগই। আবার এফডিসি সরব হবে। এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করলেন নায়ক বাপ্পি চৌধুরী। ঢাকাই চলচ্চিত্র ইন্ডাষ্ট্রির প্রায় অর্ধশত ছবির নায়ক তিনি। উপহার দিয়েছ্নে অনেকগুলো ব্যবসায় সফল ছবিও। বাপ্পি বলেন, ‘চলচ্চিত্রের সবাই যে মতের থাকুক। সবই এক পরিবারেরই সদস্য। দিন শেষে সবার চাওয়া কিন্তু একটাই। সেটা চলচ্চিত্রের অবস্থা আরও ভালো হোক। বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের ছবি নির্মিত হোক। শুটিংয়ে চাঙ্গা থাকুক এফডিসি।’

মন্তব্য