| প্রচ্ছদ

সিরাজগঞ্জে মসজিদ নিয়ে বিরোধে মা-ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৭৩ বার। প্রকাশ: ৩০ জুন ২০১৯ ।

মসজিদ ও বালুমহাল নিয়ে বিরোধের জেরে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় মা ও ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার জানিয়েছেন।

রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় পুলিশ সুপার কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার টুটুল চক্রবর্তী এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, হত্যার কাজে ব্যবহৃত দুটি চাপাতি, দুটি ছুরি, একটি বড় হাসুয়া উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে। তারা হলেন- উল্লাপাড়া উপজেলার পূর্ব মহেষপুর গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের ছেলে আবুল কালাম আজাদ (৭০), একই গ্রামের আহসান উল্লাহর ছেলে রহমত উল্লাহ পান্না(৩৮), ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে রফিকুল ইসলাম(৫৭), দুলাল সরকারের ছেলে মনছুর আলী সরকার(২২), শাহজাহান প্রামানিকের ছেলে হাফিজুল ইসলাম(৩৫), ওসমান হোসেনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন দুলাল(৫০) ও আজিজুল হকের ছেলে সাইদুর রহমান বাচ্চু(৩৮)।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে আবুল কালাম আজাদ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে তিনি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার টুটুল চক্রবর্তী বলেন, মসজিদ ও বালু মহাল নিয়ে আসামিদের সঙ্গে আলতাফ হোসেনে মুকুলের বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে একাধিক মামলাও রয়েছে। এই বিরোধের জেরে আলতাফ হোসেন মুকুলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন উল্লাপাড়া উপজেলার পূর্ব মহেষপুর গ্রামের আবুল কালাম আজাদ ও তার সহযোগীরা।

বৃহস্পতিবার রাতে আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে আলতাফ হোসেন মুকুলের বাড়িতে প্রবেশ করে প্রথমে আলতাফ হোসেন মুকুলকে চাপাতি দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। ঘটনাটি তার মা রেজিয়া খাতুন দেখে ফেলায় তাকেও চাপাতি, ছুরি ও রামদা দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে এবং উভয়ের পায়ের রগ কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে।

এ ঘটনায় আবুল কালাম আজাদসহ ২১ জনকে আসামি করে নিহতের স্ত্রী শামীম আরা একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। শুক্রবার আবুল কালাম আজাদ, রহমত উল্লাহ পান্না, রফিকুল ইসলাম ও মনছুর আলী সরকারকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পুলিশ সুপার টুটুল চক্রবর্তী বলেন, শনিবার আবুল কালাম আজাদ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

রোববার সকালে আরও ৩ আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ নিয়ে এই হত্যার সঙ্গে জড়িত ৭ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

মন্তব্য