| প্রচ্ছদ

বগুড়ায় মিলাদের তবারক খেয়ে নারী-শিশুসহ অসুস্থ্য ৭৮ জন

স্টাফ রিপোর্টার
পঠিত হয়েছে ১৪০ বার

বগুড়ার গাবতলীতে মিলাদ মাহফিলের পোলাও ভাত (তবারক) খেয়ে একই গ্রামের পুরুষ ও নারী-শিশুসহ কমপক্ষে ৭৮ জন গুরুত্বর অসুস্থ্য হয়ে পড়েছে। অসুস্থ্যদের মধ্যে গাবতলী হাসপাতালে ২৮জন এবং শিশুসহ ৪ জনকে বগুড়া মোহাম্মাদ আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে। শুক্রবার উপজেলার দুর্গাহাটা ইউনিয়নের নিজ দূর্গাহাটা গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, গাবতলী উপজেলার নিজ দূর্গাহাটা গ্রামের আলেম প্রধানের স্ত্রী বুলি বেগম (৬০) কয়েকদিন আগে মারা যান। এরপর বয়সের ভারে আলেম প্রধান (৭৫) ও তার ছেলে বুলু মিয়াসহ (৫০) বাপ ছেলে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। একজনের মৃত্যু ও ২ জন অসুস্থ্য হয়ে পড়ায় তাদের পরিবারের লোকজন দোয়া চেয়ে শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে নিজ দূর্গাহাটা জামে মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেন। মিলাদ শেষে সেখানে তবারক হিসেবে পোলাও ভাত বিতরণ করেন মুসল্লীদের মাঝে। তবারক বিতরন করার পরেই বেশ কিছু তবারক বেঁচে যায়। পরে সেগুলো গ্রামের লোকজনের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

ওই পোলাও ভাত যারা খায় তাদের মধ্যে অনেকেরই শুক্রবার রাত থেকেই পেট ব্যথা শুরু হয়। এক পর্যায়ে ডায়রিয়া, বমি ও জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়তে থাকে। অবস্থার অবনতি হতে থাকলে শনিবার সন্ধার পর থেকে পর্যায়ক্রমে তারা স্থানীয় গাবতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি হতে থাকে। শনিবার রাত ১০ টা পর্যন্ত ৭৮ জন ভর্তি হলেও এদের মধ্যে ৪৬ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। বাকী ৩২ জনের মধ্যে ৪জনের অবস্থার অবনতি হলে তাদেরকে শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ২৮ জন গাবতলী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি আছেন।

গুরুতর যে ৪জনকে শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এরা হলো, ওই গ্রামের এমদাদুলের মেয়ে রিমি (৬), হারুনের স্ত্রী লিপি বেগম (২৫), রাজিব এর স্ত্রী রত্না বেগম (২৫) এবং ফিকির প্রাং এর ছেলে মোমিন (৩৫)।

গাবতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শারমিনা শিল্পী জানান, খাদ্যে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে এরা অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। মেডিকেল টিম গঠন কওে অসুস্থ্যদেও চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।

মন্তব্য