| প্রচ্ছদ

ডাকসু ভিপি নুরসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ৭ আগস্ট

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৩৮ বার

প্রভোস্টকে লাঞ্ছিত করায় অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর ও লিটন নন্দীসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্তের অগ্রগতির প্রতিবেদন ৭ আগস্ট দাখিলের দিন ধার্য করা হয়েছে।

রোববার প্রতিবেদনটি দাখিলের দিন থাকলেও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে দাখিল করেননি। এজন্য ঢাকার মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারী মামলার নথি পর্যালোচনা করে ওই দিন ধার্য্য করেন। খবর যুগান্তর অনলাইন 

ঘটনার দিনই ঢাবির নৃত্যকলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মারজুকা রায়না শাহবাগ থানায় নুরসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এতে অজ্ঞাত পরিচয়ে আরও ৩০-৪০ জনের নাম উল্লেখ রয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর এবং ভিপি প্রার্থী লিটন নন্দী, জিএস প্রার্থী ঢাবির জহুরুল হক হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার আনিসুর রহমান, জিএস প্রার্থী ছাত্র ফেডারেশনের ঢাবি শাখার সভাপতি উম্মে হাবীবা বেনজীর ও রোকেয়া হল সংসদের স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী শেখ মৌসুমী।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, গত ১১ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের দিন সকালে মামলার বাদী মারজুকা রায়না রোকেয়া হলে ভোটের লাইনে দাঁড়ান। এর মধ্যে হেরে যাওয়ার ভয়ে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বানচালের চেষ্টা করেন অভিযুক্তরা।

তারা গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে গুজব ছড়ান যে, ট্রাঙ্ক ভর্তি সিলমারা ব্যালট পেপার হলের ভেতরে রয়েছে। পাশাপাশি তারা শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে উসকে দেন।

এক পর্যায়ে হল প্রভোস্ট ড. জিনাত হুদা শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে বলেন, বাস্তবে তেমন কিছুই ঘটেনি। সংরক্ষিত ব্যালট পেপারগুলো সাদা। কিন্তু অভিযুক্তরা প্রভোস্টের কথা না শুনে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত এবং শিক্ষার্থীদের গালাগাল করেন। এ সময় তারা রোকেয়া হল সংসদের দরজা-জানালা ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেন। পরে তারা সংসদের ভেতর অনধিকার প্রবেশ করে একটি ট্রাঙ্ক বের করে আনেন। সেটি খুলে দেখা যায়, সব ব্যালট পেপারই সাদা। কোনোটিতে সিল মারা নেই।

মন্তব্য