| প্রচ্ছদ

৮ দিন পর গাইবান্ধা-ঢাকায় দূরপাল্লার বাস চলাচল স্বাভাবিক

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৪৯ বার। প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০১৯ ।

অবশেষে গাইবান্ধা থেকে ঢাকাগামী দূরপাল্লার সব দিবা-রাত্রী বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

আট দিন বন্ধ থাকার পর শনিবার রাত থেকে বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এর আগে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকার গাবতলীতে বাস মালিক গ্রুপ সমিতির কার্যালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বাস চলাচলের সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেয়া হয়।

এদিকে দীর্ঘ আট দিন পর বাস চলাচল শুরু হওয়ার খবরে স্বস্তি ফিরেছে যাত্রী সাধারণের মধ্যে। অনেকে রোববার ও সোমবার ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রামে যেতে কাউন্টারগুলো থেকে বাসের টিকিট সংগ্রহ করেন।

এসআর ট্রাভেলসের গাইবান্ধা টার্মিনাল কাউন্টারের ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, বাস চলাচল শুরু হওয়ায় ভালো লাগছে। আট দিন বাস না চলায় দৈনিক মজুরি না পেয়ে কষ্টে দিন কাটাতে হয়েছে।

বাস চলাচলের সিদ্ধান্তের পর পরই রাত সাড়ে ৯টা ও ১০টার দিকে গাইবান্ধা কেন্দ্রীয় টার্মিনাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে হানিফ এন্টাপ্রাইজ ও অরিন ট্রাভেলসের দুটি বাস ছেড়ে যায়।

এ ছাড়া পর্যায়ক্রমে গাইবান্ধা টার্মিনাল থেকে এসআর ট্রাভেলস, আলহামরা পরিবহন ও শ্যামলীসহ অন্যান্য বাস ঢাকাসহ দক্ষিণাঞ্চলের জেলার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

পলাশবাড়ী মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক গোলাম সারওয়ার প্রধান বিপ্লব জানান, চাঁদা আদায় ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিরসনে কেন্দ্রীয়ভাবে বাস মালিক, শ্রমিক নেতা, বাস স্টাফ, গাইবান্ধা, গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়ীর বাস মালিক ও শ্রমিকদের নিয়ে যৌথভাবে ঢাকার গাবতলীতে বাস মালিক গ্রুপ সমিতিতে এক বৈঠক হয়।

বৈঠকে দীর্ঘ উন্মুক্ত আলোচনার পর বাস চলাচলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিদ্ধান্তের পর ইতোমধ্যে গাইবান্ধায় বাস চলাচল শুরু হয়েছে।

এখন থেকে আগের মতো গাইবান্ধা থেকে ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রামসহ দক্ষিণাঞ্চলে দূরপাল্লার সব দিবা-রাত্রী বাস চলাচল করবে।

এর আগে অতিরিক্ত চাঁদা আদায়, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে গত শনিবার থেকে হঠাৎ করেই বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেন বাস মালিকরা। এক সপ্তাহ বাস চলাচল বন্ধ থাকলেও সমস্যা সমাধান হয়নি। এতে অচলাবস্থার সৃষ্টি হওয়ায় সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েন যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা।

মন্তব্য