| প্রচ্ছদ

আফগানিস্তানে আত্মঘাতী হামলায় ব্যবহৃত হচ্ছে শিশু

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৪৫ বার। প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০১৯ ।

আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে বিয়ের অনুষ্ঠানে শিশুকে ব্যবহার করে আত্মঘাতী হামলায় অন্তত নয়জন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন। খবর বিবিসির।

স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে দেশটির নানগরহার প্রদেশের পাচিরাগাম এলাকায় এ হামলা চালানো হয়। 

প্রদেশটির মুখপাত্র আতাউল্লাহ খুগানি জানান,শুক্রবার সকালের হামলায় সরকার সমর্থিত সেনাবাহিনীর অধিনায়ককে হত্যা করতেই শিশুটিকে ব্যবহার করেছে জঙ্গিরা। 

এ হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটস (আইএস)। আইএস আফগানিস্তানে আইএস খোরাসান নামে পরিচিত। পাচিরাগাম এলাকায় সংগঠনটি বেশ সক্রিয়। 

এর আগেও দেশটিতে অসংখ্য প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে আইএস। গত বছর কাবুলের এক শিক্ষাকেন্দ্রে আত্মঘাতী বোমা হামলায় কয়েক ডজন মানুষ নিহত হন।

বার্তা সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, গতকালের হামলায় এক শিশুকে ব্যবহার করা হয়। এই হামলার প্রধান লক্ষ্যই ছিল সরকারপন্থী সেনাবাহিনীর অধিনায়ক মালিক নূরকে হত্যা করা। হামলায় তার দুই ছেলে নিহত হয়েছেন। 

তালেবান ও আফগান প্রতিনিধির মধ্যে গত বৃহস্পতিবার শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সাধারণ নাগরিকদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমানোর অঙ্গীকার করে তালেবানরা। ভবিষ্যতে এ ধরনের আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য দুই পক্ষ ‘শান্তির রোডম্যাপ’ তৈরিতে সম্মত হয়। বৈঠকের পরদিনই এই হামলা চালাল আইএস।

১৮ বছরের যুদ্ধ শেষ করার জন্য তালেবান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা করার চেষ্টা করছে। মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করে নিয়ে আফগানিস্তানকে আর সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার না করা হয় এমন প্রতিশ্রুতির জন্য একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর আশা করা হচ্ছে। 

আত্মঘাতী হামলায় শিশু ব্যবহারের ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এ বছরের শুরুর দিকে নাইজেরিয়ার বর্নো প্রদেশে দুই মেয়ে এবং এক ছেলেকে এ ধরনের হামলায় ব্যবহার করা হয়। 

গত বছর ইন্দোনেশিয়ার সুরাবায়া গির্জায় হামলাকারীদের মধ্যে নয় এবং ১২ বছর বয়সী দুই মেয়ে ছিল।

মন্তব্য