| প্রচ্ছদ

শেষবার ‘নিজেদের ছাওয়ালকে’ দেখতে রংপুরবাসীর ভিড়

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৪৪ বার

সদ্যপ্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মরদেহ তার নিজের এলাকা রংপুরে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে মরদেহবাহী হেলিকপ্টার রংপুর সেনানিবাসে পৌঁছায়।

মরদেহবাহী হেলিকপ্টার রংপুর সেনানিবাসে অবতরণ করার পর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অ্যাম্বুলেন্সে করে এরশাদের মরদেহ রংপুর কেন্দ্রীয় ইদগাহ মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর দেশ রুপান্তর 

সেখানে বাদ জোহর এরশাদের চতুর্থ জানাজা শেষে মরদেহ রংপুরবাসীর শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে।

প্রিয় নেতাকে শেষ দেখা দেখতে সকাল থেকেই উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনতা ঈদগাহ মাঠে আসতে শুরু করেছেন। দুপুর ১২টার দিকে মুসল্লিদের ভিড়ে মাঠ অনেকটাই ভরে যায়।

এদিনই এরশাদের মরদেহ হেলিকপ্টারযোগে ফের ঢাকায় আনা হবে। বাদ-আসর বনানীতে সামরিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।

এদিকে, এরশাদের অছিয়তকৃত পল্লীনিবাসে প্রস্তুতকৃত কবরে তাকে দাফন করা হবে বলে দাবি করছেন রংপুরের জাপা নেতারা।

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মরদেহবাহী কফিন নিয়ে বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার রংপুরে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ইয়াছি।        

এর আগে, সকাল সাড়ে ১০ দিকে রাজধানীর তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর থেকে এরশাদের মরদেহবাহী হেলিকপ্টার রংপুরের উদ্দেশে রওনা হয়।

এরশাদের মরদেহবাহী কফিনের সঙ্গে যান তার ভাই ও জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের, এরশাদের ছেলে রাহগির আল মাহি সাদ, জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা, সাবেক মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, মেজর (অব.) খালেদ আখতার, আজম খান, এটিইউ তাজ রহমান ও শফিকুল ইসলাম সেন্টু।

মন্তব্য