| প্রচ্ছদ

স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর থানায় হাজির স্বামী

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৪০ বার

রাজশাহীর পবা উপজেলার দামকুড়া ইউনিয়নের কলারটিকর এলাকায় লাভলী বেগম (২৮) নামের এক গৃহবধূকে গলা ও পায়ের রগ কেটে হত্যা করেছেন তার স্বামী।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামী শরিফুল ইসলাম রেন্টু (৩৬) পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।

রেন্টু নিজেই থানায় হাজির হয়ে স্ত্রীকে হত্যার কথা জানায় পুলিশকে। রেন্টু পবা উপজেলার দামকুড়া থানার কলারটিকর গ্রামের কাশেম উদ্দিন খোকার ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রেন্টু তার ঘুমন্ত স্ত্রীর মাথায় প্রথমে আঘাত করেন। এরপর গলা ও পায়ের রগ কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটান রেন্টু।

এরপর রাত সাড়ে ৩টার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে দামকুড়া থানায় গিয়ে হাজির হন তিনি। এরপর পুলিশকে বলেন, তিনি তার স্ত্রী লাভলী বেগমকে হত্যা করে এসেছেন। পুলিশ তখন তাকে আটক করে। এরপর রাতেই তার বাড়ি যায় পুলিশ।

দামকুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানান, রেন্টুর অভিযোগ তার স্ত্রী পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। এনিয়ে তাদের মধ্যে বিবাদ লেগেছিল। এরই জের ধরে স্ত্রীকে তিনি হত্যা করেছেন।

রেন্টু পেশায় একজন নির্মাণ শ্রমিক। তাদের দুটি সন্তানও রয়েছে। কয়েক বছর আগে একই উপজেলার সাইরপুকুর গ্রামের বাবলু মিয়ার মেয়ে লাভলীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

ওসি জানান, নিহত লাভলীর লাশ উদ্ধারের পর শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় রেন্টুর বিরুদ্ধে লাভলীর বাবা বাবলু হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

মন্তব্য