| প্রচ্ছদ

ধর্ষণের মামলা থেকে বাঁচলেন রোনালদো

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ২৮ বার
ইউভেন্তুসের তারকা ফরোয়ার্ড ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ গঠন করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের কৌঁসুলিরা।

ক্যাথরিন মায়োরগা নামের ৩৪ বছর বয়সী এক নারী ২০০৯ সালে লাস ভেগাসের একটি হোটেলে তাকে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন রোনালদোর বিরুদ্ধে।

রোনালদো অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। তবে ওই ঘটনা নিয়ে আদালতের বাইরে ২০১০ সালে পর্তুগিজ অধিনায়কের সঙ্গে মায়োরগা সমঝোতায় পৌঁছেছিলেন বলে খবর এসেছিল। তবে ২০১৮ সালে তিনি পুনরায় অভিযোগ দাখিল করেন। 

সোমবার এক বিবৃতিতে লাস ভেগাসের কৌঁসুলিরা জানান, ওই অভিযোগ প্রমাণ করা যাচ্ছে না।

ক্লার্ক কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অফিস জানায়, ২০০৯ সালে মায়োরগা নির্যাতিত হওয়ার অভিযোগ করেছিলেন, কিন্তু কোথায় ঘটনা ঘটেছিল এবং আক্রমণকারী কে ছিল, সে বিষয়ে জানাতে অস্বীকৃতি জানান। যে কারণে ‍পুলিশ ‘অর্থপূর্ণ তদন্ত চালাতে’ পারেনি।

অভিযোগকারীর অনুরোধে ২০১৮ সালের অগাস্টে লাস ভেগাসের পুলিশ পুনরায় তদন্তে নেমেছিল।

জার্মান সাময়িকী ডের স্পিগেল গত অক্টোবরে প্রথম এই খবর প্রকাশ করে। সাময়িকীটি জানিয়েছিল, ঘটনা ঘটার অল্প সময়ের মধ্যে লাস ভেগাসের পুলিশকে জানিয়েছিলেন মায়োরগা।

তাদের প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, ২০১০ সালে আদালতের বাইরে রোনালদোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতায় পৌঁছান মায়োরগা। তিন লাখ ৭৫ হাজার ডলারের বিনিময়ে কখনও এই অভিযোগ প্রকাশ না করার ব্যাপারে রাজি হন তিনি। মায়োরগার আইনজীবী জানিয়েছিলেন, মিটু মুভমেন্টে অনুপ্রাণিত হয়ে তার মক্কেল মামলা পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেন।

২০০৯ সালে লাস ভেগাসে দুজনের সাক্ষাতের বিষয়টি অস্বীকার করেননি রোনালদো। তবে দাবি করেন, দুজনের মধ্যে যা-ই হয়েছিল, পারস্পরিক সমঝোতায় হয়েছিল।

সে সময় রোনালদো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে খেলছিলেন এবং ওল্ড ট্র্যাফোর্ড ছেড়ে রিয়াল মাদ্রিদে যাওয়ার পথে ছিলেন। রিয়ালে নয়টি বছর কাটানো পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড গত জুলাইয়ে ইউভেন্তুসে যোগ দেন।

মন্তব্য