| প্রচ্ছদ

গুজব ছড়িয়ে বিশৃঙখলাকারী যেই হোন, তাকেই গ্রেফতার

বগুড়ার শেরপুরে পুলিশের বিশেষ আলোচনসভা

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
পঠিত হয়েছে ৫২ বার

ছেলেধরা বা গলাকাটার বিষয়টি সম্পূর্ণ গুজব। এসব গুজবে কান দেবেন না, বিভ্রান্তও হবেন না। গুজবে বিভ্রান্ত হয়ে গণপিটুনি দিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। এ ধরণের কাজ ফৌজদারী অপরাধ। এরপরও কেউ যদি এই ধরণের কর্মকাণ্ড ঘটায়, সেই ব্যক্তি যেই হোন আর যেখানেই থাকেন তাকে খুঁজে বের করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এক্ষেত্রে কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না- এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বগুড়ার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) মোকবুল হোসেন।

বুধবার দুপুরে শেরপুর উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের গুয়াগাছি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙনে সন্ত্রাস, বাল্যবিবাহ, মাদক ও জঙ্গিবাদবিরোধী বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব মন্তব্য করেন পুলিশের এই কর্মকর্তা। শেরপুর থানা পুলিশের উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়।


বিদ্যালয়ের সভাপতি আ.লীগ নেতা টিএম গফুরের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জনাব মোকবুল হোসেন আরও বলেন, 'বিগত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুকে) এই গুজব ছড়িয়ে একটি মহল ফায়দা হাসিল করতে চায়। দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে। তাই এই অপতৎপরতাকে রুখতে হবে। গুজব ছড়িয়ে বিশৃঙখলা সৃষ্টিকারীদের ব্যাপারে সজাগ থাকার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, এসব গুজব ফেসবুকে শেয়ার অথবা লাইক দেয়াও অপরাধ। তাই যারাই এসব করবে তাদেরকেও গ্রেফতার করা হবে।'


আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শেরপুর সার্কেল) গাজিউর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক উপ-পরিচালক আব্দুর রউফ খান, শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবির, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজমুল ইসলাম, শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) বুলবুল ইসলাম, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ, সুঘাট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শাহাদত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান জিন্নাহ, কৃষকলীগ নেতা আশরাফুল আলম আইয়ুব খান, অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান খান, স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা রাজু আহমেদ এবং মাসুদুর রহমান রানা।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শেরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল গফুর।

মন্তব্য