| প্রচ্ছদ

ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসায় বগুড়ার শজিমেকে ১০ সদস্যের টিম গঠন

স্টাফ রিপোর্টার
পঠিত হয়েছে ১২৫ বার

ডেঙ্গু মোকাবিলায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের দোতলায় ‍আলাদাভাবে  ডেঙ্গু ওয়ার্ডখোলা হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে ওই ওয়ার্ডে  চিকিৎসা সেবা দেয়া শুরু হয়। এছাড়াও ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত রোগীদের উন্নত চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য ১০ সদস্যের ‘ডেঙ্গু স্পেশাল ম্যানেজমেন্ট টিম’ গঠন করা হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায়  স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ বগুড়াসহ কয়েকটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভিডিও কনফারেন্স করেছেন। সেখানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওই কমিটিতে অন্যরা হলেন, সদস্যসচিব মেডিসিন বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক আজমিরুল হক, সদস্য নিউরো মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আশরাফুদ্দৌলা, সদস্য মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান আশরাফ, সদস্য একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল ইসলাম, সদস্য ডা. আবু বক্কর সিদ্দিক, সদস্য একজন নার্স প্রতিনিধি, সদস্য একজন ইন্টার্ন চিকিৎসক প্রতিনিধি, সদস্য একজন ক্লিনিক্যাল প্যাথলজিস্ট এবং সমন্বয়ক শজিমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আরিফুর রহমান তালুকদার।

শজিমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আরিফুর রহমান তালুকদার বলেন, 'শনিবার দুপুর আড়াইটা থেকে রোববার বেলা ১২ টা পর্যন্ত মোট ১৫ জন রুগী ভর্তি হয়েছে। তবে বর্তমানে ৩৬জন রুগী ভর্তি রয়েছে। এদের মধ্যে পুরুষ ৩০ এবং মহিলা ৬জন।'  

তিনি আরও বলেন, 'বগুড়ায় গত ৪ জুলাই থেকে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রুগী ভর্তি  হতে শুরু করেছে। তখন থেকে এ পর্যন্ত মোট ৫৬জন রুগী সেবা নিয়েছে। সেবা নেয়া প্রত্যেকই NS1 অর্থাৎ প্রথম স্টেপের রুগী। তবে প্রথম স্টেপের রুগীদের সকল প্রকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা এখান থেকে করা গেলেও IGM বা IGG অর্থাৎ দ্বিতীয় স্টেপের রুগীদের পরীক্ষা- নিরীক্ষার যন্ত্রপাতি নেই। এইজন্য শনিবার ভিডিও কনফারেন্সে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালককে জানানো হয়েছে।'

ডা. আরিফুর রহমান জানান , আক্রান্তদের অধিকাংশই বগুড়ার বাসিন্দা হলেও এরা সবাই ঢাকা সফরে গিয়ে ডেঙ্গু জীবাণু বহন করে এনেছেন। এখন পর্যন্ত বগুড়ায় আতঙ্কিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি হয়নি। আর  আতঙ্কিত থেকে দূরে রাখতে শনিবার থেকে হেল্প ডেস্ক খোলা হয়েছে।

বগুড়ার সিভিল সার্জন  ডাঃ মোঃ গওসুল আজিম চৌধুরী জানান, উপজেলা হাসপাতালে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু রুগী ভর্তির খবর পাওয়া যায়নি। আর জেলার সকল বে সরকারি ক্লিনিকগুলোতে ডেঙ্গু রুগীদের তালিকা চাওয়া হয়েছে।

মন্তব্য