| প্রচ্ছদ

বগুড়ায় এবার চল্লিশ চোরসহ আলী বাবা

স্টাফ রিপোর্টার
পঠিত হয়েছে ১০৫ বার

বগুড়া জেলা পরিষদ মিলনায়তন মঞ্চে দেখা গেলো চল্লিশ চোরসহ আলী বাবাকে। একটু পর আবার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের  'ছাত্রের পরীক্ষা', সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'অভিযান', সাথে যাদুর তুলিও ছিলো। এমন সব নাটকে অভিনয় করছিলো ৬ টি স্কুলের অংশগ্রহণকারী ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা। সোমবার বিকাল থেকেই তাদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনায় শেষ হলো আন্তঃস্কুল নাট্য উৎসব। 

বিকশিত শিশু আলোকিত আগামি, সৃজনে উৎসবে মঞ্চ মোদের তরণী শ্লোগানে ভোর হলো এবং লিটল থিয়েটারের আয়োজনে গত ২৬ জুলাই ২০১৯ ইং চার দিনব্যাপি আন্ত:স্কুল নাট্যোৎসব শুরু হয়েছিল। চারদিন ব্যাপি এই উৎসবে বগুড়া জেলার ২০ টি স্কুলের ৪০০ জন ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করে। 


বিকাল চারটায় বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রভাতি শাখা পরিবেশন করে নাটক আলী বাবা। তৌফিক হাসান ময়নার নাট্যরুপে নাটকটি নির্দেশনা দেন নজরুল ইসলাম।

এরপর বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় দিবা শাখা পরিবেশন করে নাটক অভিযান। সুকান্ত ভট্রাচার্যের রচনায় নাটকটি নির্দেশনা দেন মন্দ্রিতা হাসান। 

ইউনিক পাবলিক স্কুল পরিবেশন করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছাত্রের পরীক্ষা। নাটকটি নির্দেশনা দেন ওসমান গণি।

ফয়েজুল্বা উচ্চ বিদ্যালয় পরিবেশন করে নাটক যাদুর তুলি। শুভেন্দু মাইতির রচনায় নাটকটি নির্দেশনা দেন রেহেনা আমিন শিল্পী।

মাটিডালি উচ্চ বিদ্যালয় পরিবেশন করে আমরা সবাই রাজা। তৌফিক হাসান ময়নার নাট্যরুপে নাটকটি নির্দেশনা দেন আমজাদ হোসেন শোভন এবং রবিউল ইসলাম।

সবশেষে বগুড়া টাউন প্রাথমিক বিদ্যালয়ও পরিবেশন করে ছাত্রের পরীক্ষা। নাটকটি নির্দেশনা দেন ওসমান গণি। 


নাটক শেষে সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সমাপণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খান রনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উচ্চারন একাডেমীর পরিচালক এ্যাড. পলাশ খন্দকার এবং বগুড়া ইয়ূথ কয়্যারের সভাপতি আতিকুর রহমান মিঠু। সভাপতিত্ব করেন লিটল থিয়েটারের পরিচালক নাট্যজন তৌফিক হাসান ময়না।

আলোচনা ও সমাপনী অনুষ্ঠানের পরেই অংশগ্রহণকারি সকল স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের হাতে উৎসব ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয় এবং সেই সাথে অংশগ্রহণকারী স্কুলের সকল শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রত্যয়নপত্র প্রদান করা হয়। 

মন্তব্য