| প্রচ্ছদ

নুসরাত হত্যা: সুরতহাল প্রতিবেদনের ওপর সাক্ষ্যগ্রহণ

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ১৭ বার

ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির মৃতদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতকারী পুলিশ কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত। ঢাকা মহানগর পুলিশের শাহবাগ থানার এসআই শামছুর রহমান  বৃহস্পতিবার ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে সাক্ষ্য দেন। এ সময় তিনি বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় তিনি দেখতে পান, নুসরাতের মুখমণ্ডল ছাড়া পুরো শরীর ছিল দগ্ধ।

সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় উপস্থিত চার পুলিশ সদস্যসহ আরও পাঁচজন গতকাল আদালতে সাক্ষ্য দেন। পরে আগামী রোববার মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত। বিচারক ওই দিন এ মামলায় সাক্ষ্য দেওয়া ফেনীর দুই জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে জেরার তারিখ ধার্য করেন।

নুসরাত হত্যা মামলার ১৬ আসামিকে এদিন সকালে জেলহাজত থেকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এ সময় এসআই শামছুর রহমান আদালতে নুসরাতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরেন। এতে বলা হয়, ওই সময় নুসরাতের মুখমণ্ডল ছাড়া সম্পূর্ণ শরীর ছিল দগ্ধ। শরীর থেকে কেরোসিন কিংবা পেট্রোল জাতীয় গন্ধ বের হচ্ছিল।

বৃহস্পতিবার আদালতে আরও সাক্ষ্য দেন শাহাবাগ থানার এএসআই বিল্লাল হোসেন, পুলিশ সদস্য রমজান আলী, এএসআই সজিব হোসেন, ফেনীর পিবিআই সদস্য আলমগীর হোসেন এবং সিআইডির ডিএনএ পরীক্ষক আশরাফুল আলম। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে প্রত্যেক সাক্ষীকে জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা।

পরে বিচারক মামুনুর রশিদ আগামী রোববার পরবর্তী তারিখ ধার্য করে পিপি হাফেজ আহাম্মদকে বলেন, রোববার শুধু ১৬৪ ধারায় আসামির জবানবন্দি গ্রহণকারী ফেনীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন ও শরাফ উদ্দিন আহমেদের জেরা অনুষ্ঠিত হবে।

নুসরাত হত্যা মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) অধ্যক্ষ সিরাজসহ ১৬ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। গত ২০ জুন থেকে আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী শাহজাহান সাজু জানান, গতকাল পর্যন্ত মামলার ৯২ সাক্ষীর মধ্যে ৭৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

মন্তব্য