| প্রচ্ছদ

বগুড়ায় আ’লীগ নেতাকে কুপিয়ে আহত, ইউঃ ছাত্রলীগের সভাপতিসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার
পঠিত হয়েছে ৮৫ বার। প্রকাশ: ০৩ অগাস্ট ২০১৯ ।

বগুড়ার গাবতলীতে আওয়ামীলীগের নেতা ফুল মিয়াকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় স্থানীয় ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতিসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে গাবতলী মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন আহত আ'লীগ নেতার ছেলে আমির হোসেন। মামলায় প্রধান আসামী করা হয় স্থানীয় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরিকে।

এদিকে হামলার পর পরই পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেফতারে মাঠে নেমে পরে। এদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হামলার শিকার আওয়ামীলীগ নেতার অবস্থা গুরুতর। 

মামলায় উল্লেখ করা হয়, জেলার গাবতলী উপজেলার সোনারায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধরণ সম্পাদক খুপি গ্রামের বাসিন্দা ফুল মিয়ার মেয়ে স্থানীয় একটি কলেজে একদশ শ্রেণীতে পড়ে। কলেজে যাতায়াতের পথে একই গ্রামের মৃত ছানা মিয়ার ছেলে ও সোনারায় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরি (২৩) বেশ কিছু দিন ওই মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। এতে ওই মেয়ে রাজি না হলে তাকে কলেজে যাতায়াতের পথেক উত্ত্যক্ত করতে থাকে। ওই ছাত্রী তরিকুলের অত্যাচাওে অতিষ্ঠ হয়ে উঠে এবং বিষয়টি নিজের বাবা ফুল মিয়াকে জানায়। ফুল মিয়া ঘটনাটি তরিকুল ইসলাম তরির অভিভাবকদের অবগত করেন। এতে তরিকুল প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য ফুল মিয়ার উপর উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টায় ফুল মিয়া সোনারায় ইউনিয়নের জামিরবাড়িয়া হাটে বাজার করতে গেলে বাজারের মধ্যেই ওঁত পেতে থাকা তরিকুল ও তার ভারাটিয়া সন্ত্রাসী দল অতর্কিতভাবে ফুলমিয়ার উপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা এ সময় রামদা, চাইনিজ কুড়াল, চাকু, খুর ও রড দিয়ে ফুল মিয়ার শরীরের মাথা, পেট ও বাম হাতে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে যখম করে। এতে ফুলমিয়া রক্তাক্ত জখম হয়ে চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় ফুল মিয়াকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করে। সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

স্থানীয় সোনারায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ডা.জালাল উদ্দিন বলেন, 'ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তরিকুলের বিরুদ্ধে নারী উত্ত্যক্ত করাসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তাকে সংগঠন থেকে বহিস্কারের সুপারিশ করা হবে। তিনি হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।'

গাবতলী মডেল থানার ওসি সেলিম হোসেন বলেন, 'হামলার খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। হামলাকারীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।' 

মন্তব্য