| প্রচ্ছদ

কাশ্মীর জুড়ে আতঙ্ক, সাইরেন আর ভারী বুটের শব্দ

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ২৬ বার। প্রকাশ: ০৫ অগাস্ট ২০১৯ ।

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর উপত্যকা জুড়ে শুধুই আতঙ্ক আর স্তব্ধতা। মাঝে মধ্যেই বেজে উঠছে সাইরেন। ভারী বুটের শব্দে যেন কেঁপে উঠছে উপত্যকা। 

রোববার রাত থেকে কয়েকজন শীর্ষনেতাকে গৃহবন্দি করা হয়েছে। নিষিদ্ধ করা হয়েছে সভা-সমাবেশ। 

কয়েক দিন 'জঙ্গি হামলা'র কারণ দেখিয়ে কাশ্মীর ছাড়তে বলা হয় অমরনাথ তীর্থযাত্রী ও পর্যটকদের। আগের অতিরিক্ত ১০ হাজার সেনার সঙ্গে আরও অতিরিক্ত ২৫ হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সম্ভাব্য জঙ্গি হানার খবর পেয়েই কি এই ব্যবস্থা, নাকি অন্য কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে সরকারের তা নিয়ে চলছে জল্পন-কল্পনা। কাশ্মীর থেকে ফেরানো হচ্ছে পর্যটকদের। এই অবস্থায় আতঙ্ক আরও বাড়ছে।

রোববার মধ্যরাতে হঠাৎ করেই গৃহবন্দি করা হয় দু’বারের মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এবং ওমর আবদুল্লাকে। হঠাৎ করে কেন এমন সিদ্ধান্ত সরকারের তা নিয়ে আরও জল্পনা-আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এরপরেই উপত্যকা জুড়ে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। অনির্দিষ্টকালের জন্য জারি করা হয়েছে কার্ফু। আগামী নির্দেশ দেওয়া না পর্যন্ত কার্ফু জারি থাকবে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে। কোনও জায়গায় সভা-সমাবেশ দেখলেই প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ।

সোমবার সকাল থেকে ১৪৪ ধারা লাঘু হয়েছে গোটা কাশ্মীরজুড়ে। আর তা লাঘু হওয়ার পর থেকে শুনশান গোটা কাশ্মীর। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম বলছে, হঠাৎ করে কাশ্মীর এতটাই শান্ত হয়ে গিয়েছে এখন সেখানকার রাস্তায় একটা পিন পড়লেও শব্দ শোনা যাবে। সকাল থেকে সেখানকার দোকানপাঠ সব বন্ধ। সেখানকার স্থানীয় মানুষকে রাস্তাতেই দেখা যাচ্ছে না। যতদূর চোখ যাচ্ছে শুধুই নজর পড়ছে নিরাপত্তারক্ষীদের।

অন্যদিকে, কার্ফু থাকায় স্কুল-কলেজ বন্ধ করা হয় অনির্দিষ্টকালের জন্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে থাকা শিক্ষার্থীদেরনিরাপদ জায়গায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি, কলকাতা ২৪।

মন্তব্য