| প্রচ্ছদ

লটারি জিতে কৃষক থেকে কোটিপতি

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৫৬ বার। প্রকাশ: ০৫ অগাস্ট ২০১৯ ।

নাম বিলাস হলেও কৃষিকাজ করে অভাবে জীবন অতিবাহিত করতেন। সংসারের সব চাহিদা মেটাতে পারতেন না। স্ত্রী-সন্তানদের আরও একটু সচ্ছল করতে অবশেষে দুবাইয়ে পাড়ি জমান বিলাস।  

কিছু দিন সেখানে গাড়ি চালিয়ে উপার্জনের চেষ্টা করেন। তবে সফল হতে পারেননি। তেমন কিছু না করতে পেরে শেষমেশ দেশে ফিরে আসেন বিলাস।

দেশে ফিরে আসার আগে অনেকটাই ক্ষোভ প্রকাশ করে পকেটে থাকা অবশিষ্ট টাকা দিয়ে লটারির টিকিট কেনেন দুবাইতে।

ফেরার আগে দুবাইয়ে অবস্থানরত রবি নামে এক স্বদেশীকে ২০ হাজার টাকা দেন। ভাগ্য পরখ করে দেখার জন্য একটা শেষ চেষ্টা করতে এই টাকা স্ত্রীর কাছে ধার নিয়েছিলেন তিনি। সম্পূর্ণ টাকা দিয়েই ‘দুবাই শপিং ফেস্টিভ্যাল’-এ লটারির টিকিট কাটতে বলেন বন্ধুকে।

দেশে ফেরার ৪৫ দিন পর দুবাই থেকে ফোন করেন তার বন্ধু রবি। তিনি জানান, ২০ হাজার টাকা দিয়ে কাটা লটারির টিকিটে তিনি জিতেছেন প্রায় ১.৫ কোটি দিরহাম! বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৪ কোটি ৪৯ লাখ ৭১ হাজার ৩২৬ টাকা!

এভাবেই কৃষক থেকে রাতারাতি কোটিপতিতে পরিণত হলেন বিলাস। এ ভাগ্যবানের পুরো নাম বিলাস রিক্কালা।

তিনি ভারতের হায়দরাবাদের একজন দরিদ্র কৃষক। তেলেঙ্গানার জাকরনপল্লী গ্রামের বাসিন্দা তিনি। তবে এখন আর দরিদ্র নন তিনি।

বিলাসের স্ত্রী পদ্মা জানান, ঘরে অনটন লেগেই থাকত। দুই মেয়ের লেখাপড়া আর ওদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত থাকতাম আমি। এখন আর সে চিন্তা থাকল না।

বিলাস জানান, ওই ২০ হাজার টাকা ছিল দুবাইতে আমার শেষ সম্বল। স্ত্রী নিজের গহনা বেচে পাঠিয়েছিল আমাকে। আর আমি সে টাকাই লটারিতে লাগিয়ে বসি। কোন খেয়ালে করেছিলাম তা এখন মনে পড়ছে না।

তিনি বলেন, সারা বছর চাষাবাদ করে যে ধান উৎপাদন হয়, আমার ক্ষেতে তা বিক্রি করে তিন লাখ টাকার বেশি আয় হয় না। আর এখন এত টাকার মালিক হয়ে গেলাম।

এই বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে কী করবেন, তা এখনও ভেবে উঠতে পারেননি বিলাস।

মন্তব্য