| প্রচ্ছদ

সাইবার পুলিশের অভিযান

প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও পদ্মা সেতু নিয়ে গুজব ছড়ানোয় বগুড়ায় গ্রেফতার ২

স্টাফ রিপোর্টার
পঠিত হয়েছে ৩৭৪ বার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং পদ্মা সেতু নির্মাণে অসংখ্য মানুষের মাথা প্রয়োজন সংক্রান্ত গুজব ছড়ানোর অভিযোগে বগুড়ায় সাইবার পুলিশ রোববার সকালে এক কলেজ শিক্ষকসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। এরা হলেন- শহরের ঝোপগাড়ি এলাকার আবু জাফর মণ্ডলের ছেলে মাসুদুর রহমান টিটু (৪৮) ও আদমদীঘি উপজেলার পশ্চিম ছাতনী গ্রামের ছাদেকুল ইসলামের ছেলে বেনজুর আহমেদ (২৮)। সাইবার পুলিশের পক্ষ থেকে সোমবার সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। গ্রেফতার ওই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বগুড়া সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সাইবার পুলিশ বগুড়ার ইন্সপেক্টর ইমরান মাহমুদ তুহিন জানান, গ্রেফতার টিটু বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার বালুয়াহাট ডিগ্রী কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক এবং বেনজুর অনলাাইনে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করেন। কলেজ শিক্ষক মাসুদুর রহমান টিটুকে ঝোপগাড়ি এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর বেনজুরকে গ্রেফতার করা হয়েছে শহরের জামিলনগর এলাকার ভাড়া বাসা থেকে। তিনি বলেন, কলেজ শিক্ষক টিটু ‘শুভেচ্ছা রহমান’ নামে ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খুলে এবং বেনজুর আহমেদ ‘সুন্দর ও বিশ্বসয়কর ভিডিও - Optime TV’ নামে  পেজ খুলে গুজব ছড়াচ্ছিলেন।
কিছুদিন আগে ‘শুভেচ্ছা রহমান’ নামে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ‘শেখ হাসিনা ভারতীয় গোয়েন্দা দিয়ে গুম করাচ্ছে বাংলাদেশের মানুষকে’ লেখা একটি পেস্ট শেয়ার করা হয়। ওই অ্যাকাউন্ট থেকে সরকার ও প্রশাসনকে হেয় করে উস্কানিমূলক আরও পোস্ট শেয়ার করা হয়। এছাড়া সুন্দর ও বিস্ময়কর ভিডিও- Optime TV’  পেজ থেকে গত ৯ জুলাই ‘পদ্মা সেতুর জন্য মাথা সংগ্রহ করতে বাচ্চা চুরি করতে গিয়ে ধরা খেল মহিলা’ শিরোনামের একটি ভিডিও শেয়ার করেন। তার ওই ভিডিওটি ১ লাখ ৫ হাজার বার দেখা হয় এবং ২ হাজার ৮৩৮বার শেয়ার হয়।
সাইবার পুলিশ বগুড়ার ইন্সপেক্টর ইমরান মাহমুদ তুহিন জানান, গুজব ছড়ানোর বিষয়টি জানার পর ওই ‘শুভেচ্ছা রহমান’ নামে খোলা ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মালিক এবং‘ সুন্দর ও বিস্ময়কর ভিডিও- Optime TV’  নামে অ্যাকাউন্টের এডমিনকে সনাক্তের জন্য তারা মাঠে নামেন। তিনি বলেন, তদন্তের এক পর্যায়ে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হই এবং রোববার সকালে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

মন্তব্য