| প্রচ্ছদ

মশা মারার টাকা লুটপাট করেছেন দুই মেয়র: রাঙ্গাঁ

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৫১ বার
ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার জন্য ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ‘দুর্নীতি’কে দায়ী করেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে তিনি দুই মেয়রের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন বলে জাতীয় পার্টির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

রাঙ্গাঁ বলেন, “ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। মশা নিধনের ৫০ কোটি টাকা লুটপাট করেছে দুই মেয়র। যে মেয়র মশা মারতে পারে না, তাদের ডেঙ্গু মশার মতোই বিদায় করতে হবে।”

এবছর ডেঙ্গু ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ার পর মশা দমে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ব্যর্থতাকেই দায়ী করা হচ্ছে। ডেঙ্গু মোকাবেলায় সমন্বয়ের ঘাটতির কথাও আসছে।

রাঙ্গাঁ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী দেশে নেই বলেই অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা বেড়ে গেছে।”

লন্ডনে থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডেঙ্গু মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন বলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়ে আসছেন।

বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু মোকাবেলায় জনসচেতনতা বাড়ানোর উপরই জোর দিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন, মশা দমনে সিটি করপোরেশনের কাজে ঘাটতি ছিল না।

ডেঙ্গুর বাহক এইডিস মশা নিধনে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে জাতীয় পার্টি মানববন্ধন ও লিফলেট বিতরণের কর্মসূচি পালন করে জাতীয় পার্টি।

কর্মসূচির প্রধান অতিথি জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেন, “সঠিক সময়ে এডিস মশা নির্মূলে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। সাধারণ মানুষের মাঝে ডেঙ্গু সচেতনতা সৃষ্টিতেও ব্যর্থ হয়েছে তারা। তাই দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। মশা নিধনে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা অকার্যকর প্রমাণ হয়েছে।”

এখনই কার্যকর উদ্যোগ নিতে না পারলে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ‘নিয়ন্ত্রণের বাইরে’ চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান।

কর্মসূচিতে বক্তব্যে রাঙ্গাঁ বন্যা মোকাবেলায় সরকারি কার্যক্রমেরও সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন, “এবছর বন্যায় দীর্ঘ সময় বন্যার্তরা পানিবন্দি ছিলেন। সরকারিভাবে যে ত্রাণ দেওয়া হয়েছে, তাও অপ্রতুল। অনিয়ম হয়েছে ত্রাণ বিতরণে।”

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির নেতা শফিকুল ইসলাম সেন্টু, এমরান হোসেন মিয়া, নাজমা আক্তার, নূরুল আজহার, ইকবাল হোসেন রাজু, জহিরুল আলম রুবেল, যুগ্ম-মহাসচিব শেখ আলমগীর হোসেন।

মন্তব্য