| প্রচ্ছদ

ধর্মান্তর ঠেকাতে বিল আনছে মোদি সরকার

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৪৭ বার। প্রকাশ: ১১ অগাস্ট ২০১৯ ।

এবার ধর্মান্তর বিরোধী আইন আনার পরিকল্পনা নিয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। মূলত হিন্দুদের ধর্মান্তর রোধ ও ‘লাভ জেহাদ’-এর মতো ঘটনা আটকাতেই ওই বিল আনতে যাচ্ছে। যা সঙ্ঘ পরিবারের দীর্ঘদিনের দাবি।

আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে জানা যায়, দেশটির সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে বিলটি আনার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

সরকারের শীর্ষ সূত্র বলেছে, এখনো জোর করে, প্রলোভন দেখিয়ে ধর্মান্তরকরণ ঘটে চলেছে। আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় যার সংখ্যা খুব বেশি। বিজেপির নেতাদের একাংশের দাবি, ভালোবাসার নামেও পরিকল্পিত ভাবে হিন্দু মেয়েদের ধর্ম পরিবর্তন করা হচ্ছে। সেটাকেই ‘লাভ জেহাদ’ বলছেন তারা।

বিজেপির দাবি, স্বাধীনতার সময়ে দেশে ৯০ ভাগ হিন্দু ছিল। এখন তা ৭২-৭৩ ভাগ। যদিও জনসংখ্যার নথি বলছে ১৯৫১ সালে এ দেশে হিন্দুর সংখ্যা ছিল ৮৪ ভাগ। ২০১১ সালে তা কমে হয়েছে ৭৯.৮০ ভাগ। পরিবার পরিকল্পনাই যার মূল কারণ বলে মনে করেন বিরোধীরা। কিন্তু বিজেপি ধর্ম পরিবর্তনকে সমানভাবে দায়ী করছে।

মোদি সরকারের প্রথম পর্বে ‘ঘর ওয়াপসি’ প্রকল্প হাতে নিয়েছিল গেরুয়া শিবির। বিরোধীরা অভিযোগ করেছিলেন, যখন কোনো হিন্দু অন্য ধর্ম গ্রহণ করছেন, তাকে বলা হচ্ছে ধর্মান্তরকরণ। কিন্তু সঙ্ঘ পরিবার যখন কাউকে হিন্দুধর্মের ছাতায় নিয়ে আসছে, তখন তা ঘর ওয়াপসি! এবার ধর্মান্তরকরণ পাকাপাকি রুখতেই বিল আনার কথা ভাবনা।

বিরোধীদের দাবি, একজন প্রাপ্তবয়স্ক কোন ধর্মে বিয়ে করবেন বা কোন ধর্ম গ্রহণ করবেন, সেটা তার মৌলিক অধিকার। তৃণমূলের এক নেতার কথায়, ‘‘বিলটি না আসা পর্যন্ত কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে বোঝাই যাচ্ছে নির্দিষ্ট একটি ভোটব্যাংককে বার্তা দেওয়াই লক্ষ্য।’’

এদিকে সম্প্রতি রাজ্যসভায় পর্যাপ্ত আসন না থাকা সত্ত্বেও বিরোধী শিবিরে ভাঙন ধরিয়ে অনায়াসে তিন তালাক বিল আর কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার ও রাজ্য পুনর্গঠন বিল দুটি পাশ করিয়ে নিয়েছে মোদি সরকার।

মন্তব্য