| প্রচ্ছদ

বিধিনিষেধের জালে কাশ্মীরে ঈদ আনন্দ

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৩৭ বার। প্রকাশ: ১২ অগাস্ট ২০১৯ ।

কড়া নিরাপত্তার চাদরে মোড়া জম্মু ও কাশ্মীরের বাসিন্দাদের পার্শ্ববর্তী নামাজের অনুমতি দিয়েছে ভারত সরকার। কিন্তু গোলযোগের আশঙ্কায় বড় জমায়েত ও বড় মসজিদে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানা যায়, ঈদুল আজহার আগের দিনও অঞ্চলটির বেশির দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। রোববার এই কারণে কোরবানি পশু সংগ্রহে বিড়ম্বনায় পড়েছেন অনেকে।

কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনায় ছাড়াই ঈদ অতিবাহিত হোক- এমনটা নিশ্চিত করতে চাইছে পুলিশ। তাই তাদের গাড়ি থেকে পুনরায় ১৪৪ ধারা জারি নিয়ে দিনভর ঘোষণা দেওয়া হয়। শ্রীনগর শহরতলিতে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর পাথর নিক্ষেপকে কেন্দ্র করে সতর্ক অবস্থায় রয়েছে তারা।

ঈদ উপলক্ষে যোগাযোগ ব্যবস্থায় কোনো পরিবর্তন আসেনি। আগের মতো বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। ল্যান্ডফোন, মোবাইল, ইন্টারনেট ও ব্রডব্যান্ডের ওপর নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

ঈদের কেনাকাটার জন্য রোববার জনগণের চলাচল শিথিল করা হলেও সোমবার তা কার্যকর নয়। স্থানীয় মসজিদে প্রত্যেকে নামাজ আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঈদের জমায়েতগুলোর প্রতি নজরদারি করা হচ্ছে। যাতে ‘বেআইনি জমায়েত’ রোধ করা যায়।

ঈদগাহ, জামিয়া মসজিদ ও হজরতবাল মসজিদের মতো বড় প্রার্থনাস্থলগুলো রয়েছে নজরদারিতে। ঈদের দিনও ১৪৪ ধারা জারি থাকবে কয়েকটি অঞ্চলে।

এদিকে ঈদ উপলক্ষে দূরে থাকা আত্মীয় ও বন্ধুদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য ৩০০ বিশেষ টেলিফোন বুথ স্থাপন করেছে রাজ্য সরকার। এ ছাড়া ১৮ আগস্ট হজ থেকে ফেরত যাত্রীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ দিকে বিবিসির কাছে ক্ষোভ করে স্থানীয় যুবক দিলনওয়াজ পাশা রোববার বলেন, "এটি কোনো ঈদ নয়, এটি এবার শোক। গত দুই দিন আমরা তেমন কিছু করিনি। ঈদের পর আমরা ৩৭০ ফিরিয়ে আনবো। এটা কাশ্মীর। এটা আমাদের ভূমি।"

তিনি আরও বলেন, "যখনই মুসলমানদের কোনো উৎসব আসে, তখনই কোনো না কোনো গণ্ডগোল তৈরি হয়। ভারতকে বুঝতে হবে, এটা আমাদের জন্য একটি বড় দিন ...এটি আত্মত্যাগের দিন, সুতরাং আত্মত্যাগ করবো। দুদিন পর দেখবেন, এখানে কী হয়।"

মন্তব্য