| প্রচ্ছদ

ভারতীয় বাহিনীর মিষ্টি প্রত্যাখ্যান করলো পাকিস্তান

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ২৪ বার। প্রকাশ: ১২ অগাস্ট ২০১৯ ।

দক্ষিণ এশিয়ার দুই বৈরী প্রতিবেশী ভারত-পাকস্তানেও আজ ঈদুল আজহার উৎসব চলছে। খুশির দিনটিতে সোমবার রাজস্থান সীমান্তে পাকিস্তানকে মিষ্টি সাধলেও তা গ্রহণে অস্বীকার করেছে পাকিস্তান।

ভারতীয় দৈনিক ইন্ডিয়া টুডের খবরে এমন তথ্য জানা গেছে।

এদিকে অধিকৃত কাশ্মীরে ভারতীয় বাহিনীর নৃশংসতা ও নিরাপদ লোকজনকে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইরানি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি।

রোববার পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে দেয়া এক ফোনে তিনি এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ডন অনলাইনের খবরে এমন তথ্য জানা গেছে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে সম্ভাব্য সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার প্রতি জোর দেন রুহানি।

রাস্তার মোড়ে মোড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্যের উপস্থিতির মধ্যেই ৭ দিন ধরে ভারতের অন্যান্য অংশ ও বহির্বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগবিচ্ছিন্ন ও অবরুদ্ধ কাশ্মীরের বাসিন্দারা উপত্যকায় ফের বিধিনিষেধ আরোপের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখিয়েছি।

স্বায়ত্তশাসন, নিজস্ব সংবিধান-পতাকা ও পৃথক আইন বানানোর সুযোগসহ গত কয়েক দশক ধরে ভারতের সংবিধানে এ এলাকাকে যে বিশেষ মর্যাদা দেয়া ছিল গত সপ্তাহে তা তুলে নেয়ার পর থেকেই সেখানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

তুমুল প্রতিবাদ, বিক্ষোভ ও সহিংসতা মোকাবেলায় সড়কে কয়েক মিটার পরপর পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সশস্ত্র সদস্যদের সন্ত্রস্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কিছু দূর পরপরই আছে কাঁটাতারের ব্যারিকেডও।

এর মধ্যেই অনেক এলাকায় বিক্ষোভ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের দিকে পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে।

ঈদের আগে শুক্র ও শনিবার নিরাপত্তার কড়াকড়ি খানিকটা শিথিল করে কর্তৃপক্ষ বেকারি, ফার্মেসি, ফলের দোকানসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকান এবং এটিএম বুথ খুলতে দিলেও রোববার শ্রীনগরের অধিকাংশ এলাকায় ফের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

মন্তব্য