| প্রচ্ছদ

বগুড়ায় যুবলীগ সভাপতি লিটন পোদ্দারের অফিসে গভীর রাতে হামলা

স্টাফ রিপোর্টার
পঠিত হয়েছে ১০৩৫ বার

বগুড়ায় যুবলীগের জেলা কমিটির সভাপতি শুভাশীষ পোদ্দার লিটনের ব্যক্তিগত অফিসে হামলা চালানো হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে শহরের নওয়াব বাড়ি সড়কে টিএমএসএস মহিলা মার্কেটের উত্তর পাশে অবস্থিত ওই অফিসে হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা অফিসের দরজা-জানালা এবং কিছু আসবাবপত্র ভাংচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
কারা কি কারণে ওই হামলা চালিয়েছে সে বিষয়ে পুলিশ এখনও নিশ্চত না হলেও শুভাশীষ পোদ্দার লিটনের ভাষ্য অনুযায়ী, যুবলীগ থেকে বহিস্কৃত আব্দুল মতিন সরকারের ছোট ভাই ঝুমুরের নেতৃত্বে ১৭/১৮জনের একদল যুবক তার অফিসে হামলা চালিয়েছে। তার ধারণা যুবলীগের প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সন্ত্রাসী ও বিতর্কিতদের নাম প্রস্তাব না করার কারণেই ওই হামলা চালানো হতে পারে।
ওই ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত থানায় কোন জিডি কিংবা মামলা করা হয়নি। অবশ্য শুভাশীষ পোদ্দার লিটন জানিয়েছেন, তার অফিসে হামলায় অংশগ্রহণকারী সবার পরিচয় তিনি একে একে বের করছেন। তার পরেই তিনি থানায় অভিযোগ করবেন।
প্রায় তিন বছর আগে ২০১৬ সালের ১৫ অক্টোবর বগুড়ায় জেলা যুবলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক দুই নেতা শুভাশীষ পোদ্দার লিটন এবং আমিনুল ইসলাম ডাবলু যথাক্রমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সম্মেলনের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের কথা থাকলেও আজ পর্যন্ত তা হয়নি। দলীয় সূত্রগুলো জানায়, পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের জন্য তিন মাস আগে একটি তালিকা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। 
বগুড়া জেলা যুবলীগ সভাপতি শুভাশীষ পোদ্দার লিটন অভিযোগ করেন, বুধবার দিবাগত রাত সোয় ১টার দিকে ১৭/১৮জনের একদল সন্ত্রাসী তার অফিসে হামলা চালায়। তারা অফিসের দরজা-জানালা এবং আসবাবপত্র ভাংচুর করে। তিনি বলেন, ‘সিসিটিভি ফুটেজে মতিনের (বহিস্কৃত যুবলীগ নেতা) ভাই ঝুমুর এবং তার কয়েকজন সহযোগীকে হামলায় অংশ নিতে দেখা গেছে।’
কি কারণে অফিসে হামলা চালানো হতে পারে-এমন প্রশ্নের জবাবে শুভাশীষ পোদ্দার লিটন বলেন, ‘আমি কোন কারণ খুঁজে পাচ্ছি না। তবে আমার ধারণা যুবলীগের প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রে যে তালিকা পাঠানো হয়েছে তাতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত এবং বিতর্কিত কাউকে রাখা হয়নি। এজন্য ওই শ্রেণির লোকজন আমার উপর ক্ষুব্ধ হয়ে থাকতে পারেন। তাছাড়া আমি সব সময় চাঁদাবাজী, জুয়াসহ সমাজ বিরোধী সব কাজের বিরোধিতা করে থাকি- এতেও অনেকের ক্ষোভ থাকতে পারে।’
বগুড়া সদর থানার ওসি এস এম বদিউজ্জামান জানান, ‘ঘটনার পর পরই আমি স্পটে গিয়েছিলাম। ওই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি। তবে হামলাকারীদের সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।’

মন্তব্য