| প্রচ্ছদ

ইরানের সেই তেল ট্যাংকার আটকের আদেশ যুক্তরাষ্ট্রের

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৩৩ বার। প্রকাশ: ১৭ অগাস্ট ২০১৯ ।

ইরানের সেই তেল ট্যাংকার আটকের পরোয়ানা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। এর মাত্র একদিন আগে জিব্রলটারের বিচারক জাহাজটি ছেড়ে দেওয়ার আদেশ দেয়।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রেস ওয়ান সুপার ট্যাংকারটি ২১ লাখ ব্যারেল তেল বহন করছে। ৪ জুলাই সিরিয়ার জন্য বেআইনি তেল পরিবহনের অভিযোগে ট্যাংকারটি আটক করা হয়।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিস্ট্রিক্ট অব কলম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেসি লু জানান,  মার্কিন সরকারের দায়ের করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২১ লাখ ব্যারেল তেল ও নয় লাখ ৯৫ হাজার মার্কিন ডলারসহ গ্রেস ওয়ান ট্যাংকারটি আটকে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের আটককে রাখার আবেদন শেষ মুহূর্তে খারিজ করে দেয় জিব্রলটার আদালত। এর আগে গ্রেস ওয়ানের আটককে ‘বেআইনি বাধা’ হিসেবে উল্লেখ করে ইরান।

ওয়াশিংটন দাবি করে ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট লঙ্ঘন, ব্যাংক জালিয়াতি, অর্থ পাচার এবং সন্ত্রাসবাদের কারণে গ্রেস ওয়ানকে আটক করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র আরও নির্দেশ দেয় দেশটির একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে প্যারাডাইস গ্লোবাল ট্রেডিং এলএলসি’র নয় লাখ ৯৫ হাজার ডলার জব্দে। যার সঙ্গে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডসের ব্যবসা আছে।

জিব্রলটার সরকার জানায়, তারা ইরানের কাছ থেকে নিশ্চয়তা পেয়েছেন যে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞায় আছে এমন কোনো দেশে যাবে না গ্রেস ওয়ান। এর মাধ্যমে তারা সিরিয়াকে নির্দেশ করেন।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের পরোয়ানা নিয়ে মন্তব্য করেনি ব্রিটেন বা জিব্রলটার কর্তৃপক্ষ।

এদিকে গ্রেস ওয়ান আটকের দুই সপ্তাহ পর ১৯ জুলাই হরমুজ প্রণালিতে ব্রিটিশ পতাকাবাহী ট্যাংকার স্টেনা ইম্পেরো জব্দ করে। তখন ইরান দাবি করে জাহাজটি ‘আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন’ লঙ্ঘন করেছে।

মন্তব্য