| প্রচ্ছদ

কাশ্মীরে সেনাবাহিনীর নির্যাতন নিয়ে টুইট, শেহলার বিরুদ্ধে মামলা

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৪৪ বার। প্রকাশ: ২০ অগাস্ট ২০১৯ ।

কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাবাহিনী নির্যাতন চালাচ্ছে ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে- এ অভিযোগে রোববার একগুচ্ছ টুইট করেন রাজনৈতিক কর্মী শেহলা রশীদ। এর জেরে মামলার জালে জড়ালেন তিনি।

আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, সোমবার ‘ভুয়া খবর’ ছড়ানোর দায়ে শেহলার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের মামলা দায়ের হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অলোক শ্রীবাস্তব এই মামলা করে অবিলম্বে শেহলাকে গ্রেপ্তার করার আরজি জানিয়েছেন।

জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) সাবেক ছাত্রনেত্রী শেহলা অভিযোগ করেন, কাশ্মীরের একাধিক এলাকায় সেনাবাহিনী রাতে সাধারণ মানুষের বাড়িতে ঢুকে সবকিছু তছনছ করছে, খাবারদাবার নষ্ট করছে ও নির্বিচারে ছেলেদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে।

আরও দাবি করেন, শোপিয়ানে চারজনকে তুলে নিয়ে গিয়ে সেনাবাহিনী শুধু অত্যাচারই করেনি, মাইক লাগিয়ে তাদের আর্তনাদ এলাকাবাসীকে শুনিয়ে ত্রাসের সঞ্চার করেছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এই সব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়।

জেএনইউ-এ থাকাকালে কানহাইয়া কুমারদের নামে যখন দেশদ্রোহের মামলা হয়েছিল, শেহলা তাদের সমর্থনে সরব হন। এবার তার নামে একই আইনে মামলা হলো। কাশ্মীরের বাকি রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা বেশির ভাগই এখন বন্দী বা গৃহবন্দী। শেহলার সংগঠনের নেতা শাহ ফয়সালকেও সম্প্রতি গৃহবন্দী করা হয়েছে।

মামলা নিয়ে টুইটারে শেহলার বক্তব্য, ‘‘আমার গ্রেপ্তারের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করে দয়া করে কাশ্মীর সমস্যা থেকে চোখ ঘোরাবেন না। যদি আমি গ্রেপ্তার হই, এই টুইটগুলো পৃথিবীর সামনে শেয়ার করবেন!’’

আরও বলেন, ‘‘কাশ্মীরের এখন যা অবস্থা, সেখানে শুধু গ্রেপ্তার হলে ভাগ্য ভালো বলতে হবে!’’

শেহলা জানান, সেনাবাহিনীর আচরণের বিরুদ্ধে যা যা তিনি লিখেছেন, সে সব মানুষের সঙ্গে কথা বলেই সংগৃহীত। নিরপেক্ষ তদন্ত হলে ঘটনাগুলোর সত্যতা বেরিয়ে আসবে দাবি করেন তিনি।

মন্তব্য