| প্রচ্ছদ

ডাক্তার না হয়েও চোখের চিকিৎসা দিতেন মোজাম্মেল

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৫৬ বার। প্রকাশ: ২০ অগাস্ট ২০১৯ ।

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় রামপুর বাজারে চিকিৎসা দেওয়ার সময় মোজাম্মেল হক (৪৩) নামে এক ভুয়া চক্ষু ডাক্তারকে আটক করেছে র‌্যাব। র‌্যাব-১৪ সিপিসি-২ এর কোম্পানি অধিনায়ক লে. কমান্ডার শোভন খানের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে সোমবার দিনগত রাতে তাকে আটক করা হয়।

এ সময় র‌্যাবের সঙ্গে থাকা কেন্দুয়া উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিরিন সুলতানা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি ওই উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের বহলী গ্রামের সাহাব উদ্দিনের ছেলে।

র‌্যাব-১৪ অধিনায়ক লে. কমান্ডার শোভন খান ওই দিন রাত ১০টায় প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, মো. মোজাম্মেল হক ভুয়া চক্ষু ডাক্তার সেজে রোগী দেখার সময় অভিযান চালিয়ে তার ডাক্তারি কাগজপত্র দেখতে চাইলে তা দেখাতে ব্যর্থ হয়।

পরে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তিনি একজন চিকিৎসক না হয়েও নিয়মিত রোগী দেখা ও রোগীদেরকে এন্টিবায়টিকসহ বিভিন্ন ধরনের ওষুধপত্রে ব্যবস্থাপত্র প্রদান করে থাকেন।

এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক শিরিন সুলতানা বলেন, মোজাম্মেল হক ভুয়া চক্ষু চিকিৎসক কেন্দুয়া উপজেলার রামপুর বাজারের সাইদুল ইসলামের মায়ের দোয়া নামের ফার্মেসিতে বসে রোগীদের ব্যবস্থাপত্র দিয়ে আসছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৪ প্রথমে ভুয়া চিকিৎসককে আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মেডিকেল ও ডেন্টাল আইন অনুযায়ী তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

মন্তব্য