| প্রচ্ছদ

গ্রেনেড হামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হয়নি: রিজভী

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ১৭ বার

একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা ঘটনায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হয়নি বলে দাবি করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

রিজভী বলেন, সামগ্রিক ও নিরপেক্ষ তদন্তকে বাধা দিয়ে সম্পূরক চার্জশিটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নাম দেওয়া হয়েছে। একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা ঘটনায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হয়নি। 

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের আন্দোলনের ফসল ওয়ান ইলেভেনের তথাকথিত সরকারের তদন্ত কিংবা তখন দেওয়া চার্জশিটেও তারেক রহমানের নাম ছিলো না। কিন্তু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে জোর করে, পিটিয়ে, হাতের নখ তুলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নিয়ে তারেক রহমানকে জড়ানো হয়েছে।

রিজভী বলেন, স্বীকারোক্তিকারীরাও বিচারকের কাছে বলেছিলেন, তাদেরকে অকথ্য নির্যাতন করে স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জনমনে সন্দেহ রয়েছে- গ্রেনেড হামলার নীলনকশার ষড়যন্ত্রের সঙ্গে আওয়ামী লীগ জড়িত কিনা। এটা সম্পূর্ণ ষড়ন্ত্র-চক্রান্তের নীল নকশার মাস্টার প্লান।

তিনি বলেন, ২১ আগস্ট একটি মর্মান্তিক ঘটনা। সেদিন প্রত্যেকেই হতভম্ব হয়েছিলো। যেকোনো সরকারের আমলেই নানা কুচক্রী, নানা ধরনের ষড়যন্ত্রকারীরা ঘটনা ঘটাতে পারে। আওয়ামী লীগের আমলে পিলখানা হত্যাকাণ্ড হয়েছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ২১ আগস্টের ঘটনার জন্য যদি বিএনপি দায়ী হয়ে থাকে তাহলে পিলখানা ঘটনার জন্য আওয়ামী লীগ দায়ী। আমেরিকাতে নাইন ইলেভেন ঘটনা ঘটেছে, টুইন টাওয়ার ধ্বংস হয়েছে। সেখানে বিরোধী দল অভিযোগ করেনি- যারা সরকারে ছিলো তাদের কারণে হয়েছে।

ডেঙ্গু নিয়ে রিজভী বলেন, এডিস মশা মারার জন্য আনা ওষুধে এডিস মশা আরো উৎসাহিত হয়ে মানুষকে কামড়াচ্ছে।

ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা নিয়ে সরকার সঠিক তথ্য দিচ্ছে না অভিযোগ করে তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ব্যক্তির যে সংখ্যা প্রকাশ করা হচ্ছে সেটি প্রকৃত সংখ্যার চেয়ে অনেক কম। সরকার ডেঙ্গুতে আক্রান্তের প্রকৃত সং খ্যা প্রকাশ নিয়ন্ত্রণ করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেস্টা নজমুল হক নান্নু, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব, মুনির হোসেন, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য