| প্রচ্ছদ

শেরপুরে মৃত্যুর ঘটনায় শোকে ও আতঙ্কে ১০নারী-পুরুষ হাসপাতালে

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
পঠিত হয়েছে ৯৭ বার

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের পারভবানীপুর পূর্বপাড়া গ্রামের বাসিন্দা কৃষক বাচ্চু সাকিদার (৫৫) গত ২৭আগস্ট সকালের দিকে নিজ বাসভবনে আকস্মিকভাবে মারা যান। ওইদিন বিকেলেই তাঁকে দাফন করা হয়। এদিকে ওই কৃষকের মুত্যু ও দাফনের পর থেকে  বুধবার  সন্ধ্যা পর্যন্ত নিহতের পরিবার ও গ্রামের অন্তত ১০জন নারী-পুরুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। আহতদের মধ্যে চারজনকে স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরমধ্যে একজনের অবস্থার অবনতি ঘটায় তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তারা হলেন- খামারকান্দি ইউনিয়নের পারভবানীপুর পূর্বপাড়া গ্রামের রাজা মিয়ার স্ত্রী মোছা. মোর্শেদা বেগম (৩৬), একই গ্রামের রঞ্জু মিয়ার স্ত্রী ফুয়ারা বেগম (২৮), আব্দুল করিমের স্ত্রী সালমা বেগম (২৬), আব্দুর রহীমের স্ত্রী মনিকা খাতুন (২২), ভোলা মিয়া (৬০), নজরুল ইসলামের স্ত্রী জোৎসা বেগম (৪৫), আমিনুর রহমানের স্ত্রী পারভীন আক্তার (৪০), আবিদুর রহমানের স্ত্রী রওশন আরা বেগম (২৮), আব্দুল মোমিনের স্ত্রী মঞ্জুয়ারা বেগম (২৬) ও জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আছিয়া বেগম (২৫)। স্থানীয় এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম, আব্দুল হামিদ, অব্দুল মতিন জানান, কৃষক বাচ্চু সাকিনার সবার কাছে শ্রদ্ধেয় প্রিয় ব্যক্তি ছিলেন। তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যু পরিবার ও গ্রামবাসী মেনে নিতে পারছেন না। পাশাপাশি গ্রামের লোকজনের মধ্যে মৃত্যু আতঙ্ক তৈরী হয়েছে। তারা আরও বলেন, মৃত্যুর পর ওই ব্যক্তিকে দাফনের পর থেকেই নিহতের পরিবারসহ গ্রামের বেশকয়েকজন নারী-পুরুষ একের পর এক অচেতন হয়ে অসুস্থ হচ্ছেন। স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পরও সুস্থ না হওয়ায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এতে করে এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে গেছে বলেও জানান তারা।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শেরপুর সরকারি হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক ডা. সাজিদ হাসান লিংকন জানান, পারভবানীপুর গ্রামের এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনার পর শোকে ও আতঙ্কে তারা অসুস্থ হচ্ছেন। তাদের হাসপাতালে আনার পর নরমাল (সামান্য) চিকিৎসাতেই সুস্থ হয়ে উঠছেন। পরে তাদের বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। এটি কোন রোগ নয়। মেডিকেলের ভাষায় এটিকে এইচসিআর বলা হয়ে থাকে বলেও জানান এই চিকিৎসক।
 

মন্তব্য