| প্রচ্ছদ

জহির-রশিদ বুঝিয়ে দিলেন আফগান স্পিনের ঝাঁঝ

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ১৯ বার

রশিদ খান কতটা ভয়ানক হতে পারে তা সবার জানা। আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে মাঠে নামার আগে তাকে নিয়ে আলাদা করে ভাবতেই হচ্ছে টাইগারদের। সঙ্গে মোহাম্মদ নবী আছেন। কায়েস আহমেদের কথাও হচ্ছে।

এই তিনের সঙ্গে এবার জহির খান নামটাও যোগ করে নিতে হচ্ছে। চট্টগ্রামে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে যার বোলিংয়ে নাজেহাল হয়েছে বিসিবি একাদশ।

আফগানদের হয়ে মাত্র ১টি ওয়ানডে খেলা জহির ৫ উইকেট নিয়েছেন। রশিদ নিলেন ৩টি। এই দুইয়ের বোলিং তোপে সোমবার নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১২৩ রানেই গুটিয়ে গেছে বিসিবি একাদশ।

কে এই জহির, এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া অবশ্য মোটেও কঠিন কিছু নয়। গেল বিপিএলে খুলনা টাইটান্সে খেলে গেছেন চায়নাম্যান এই বোলার।

এর আগে আগের দিনের ৬ উইকেটে ২৪২ রানে দিন শুরু করা আফগানরা নিজেদের প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে ৯ উইকেটে ২৮৯ রান করে। অর্থাৎ প্রথম ইনিংসে ১৬৬ রানের লিড নেয় সফরকারী দল। এরপর ফের ব্যাটিংয়ে নেমে বিনা উইকেটে ১৪ রান তুললেই দিনের খেলা শেষ ঘোষণা করেন আম্পায়াররা। ম্যাচ ড্র তাতে। কিন্তু সেই ড্র’য়ে তৃপ্তি কোথায়!

আগের দিন আফগানদের ব্যাটিং প্রস্তুতিটা একেবারে খারাপ ছিল না। বিশেষ করে দুই ওপেনার দারুণ খেলেছেন। ইহসানউল্লাহ ও ইব্রাহিম জাদরানকে তো আউটই করতে পারেনি বিসিবি একাদশের বোলাররা।

তবে তারা দুজন রিটায়ার্ড হার্ট হলে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। পার্টটাইম স্পিনার আল-আমিন ৪ উইকেট তুলে নিয়ে আশা দেখান। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের উইকেট স্পিন বান্ধব করা যায় কিনা সেই ভাবনা কি খেলা করছিল আয়োজকদের!

সেই স্পিন বিষেই কিন্তু এদিন নীল এনামুল হক বিজয়, ফজলে রাব্বি, নাঈম ইসলাম, নুরুল হাসান সোহানদের নিয়ে গড়া বিসিবি একাদশ। যা একটু রান করার করেছেন আল-আমিন। ২৯ রান আসে এই ডানহাতির ব্যাট থেকে। এ ছাড়া বিজয় ১৯, অধিনায়ক নুরুল হাসান ১৫, ফারদিন হাসান ১৪, নাঈম ইসলাম ১৩ রানের বেশি করতে পারেননি।

আফগানদের পক্ষে জহিরের ৫ ও রশিদের ৩ উইকেট ছাড়াও ১টি করে উইকেট নেন শাপুর জাদরান ও সৈয়দ শিরজাদ।

মন্তব্য