| প্রচ্ছদ

পর্যটনবান্ধব তালিকায় বাংলাদেশের ৫ ধাপ উন্নতি

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৩৮ বার। প্রকাশ: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ।

পর্যটনবান্ধব দেশের তালিকায় পাঁচ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। ভ্রমণ ও পর্যটনে সেরা দেশের তালিকায় দেশের অবস্থান এখন ১২০তম। 

সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ২০১৯ সালের ‘ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কম্পিটিটিভ রিপোর্ট’ এ একথা জানানো হয়েছে।

বিমান পরিবহন অবকাঠামো, নিরাপত্তা, সংস্কৃতি, বাসস্থান, টাকার মান ও স্থিতিশীল ভ্রমণের সুযোগসহ ৯০টি মানদণ্ড বিবেচনা করে বিশ্বের ১৪০ দেশের তালিকা করা হয়েছে প্রতিবেদনে। 

এবারই প্রথম এ তালিকায় বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক বিশ্লেষণে এশিয়া-প্যাসিফিকে নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় সবচেয়ে বেশি উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বৃদ্ধির ফলে ভ্রমণের জন্য বাংলাদেশ বেশ সুবিধাজনক। প্রাকৃতিক সম্পদ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সুবাদে বাংলাদেশে বিদেশি পর্যটকদের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হয়েছে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের প্রতিবেদনে। 

এখানকার পর্যটন শিল্পে উল্লেখযোগ্য উন্নতির আভাস রয়েছে বলে মনে করছে তারা।

সামগ্রিক বিচারে পর্যটনবান্ধব দেশ হিসেবে বাংলাদেশের উন্নতির কথা বলা হলেও এ খাতের নানা অন্তরায়ও উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। 

এ বিষয়ে বলা হয়েছে, অনুন্নত পর্যটন সেবা অবকাঠামো, বায়ুদূষণ ও জলাবদ্ধতা বাংলাদেশের পর্যটন আকর্ষণকে ম্রিয়মাণ করে রাখে। এসব কারণে দেশের প্রাকৃতিক পর্যটন হুমকির মুখে পড়ে। বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য বৃদ্ধি ও ক্রমবর্ধমান বনভূমি হ্রাস করার মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ পর্যটনের বিকাশে সুফল বয়ে আনতে পারে। 

তালিকায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ভারত (৩৪), শ্রীলঙ্কা (৭৭), নেপাল (১০২) ওপরের দিকে। বাংলাদেশের নিচে আছে পাকিস্তান (১২১)।

এবারের বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের আলোচনার টেবিলে পর্যটনের চারটি দিক গুরুত্ব পেয়েছে। 

এগুলো হলো প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পদ, বিমান পরিবহন পরিকাঠামো, জাতীয় ভ্রমণ ও পর্যটন নীতি এবং উপযুক্ত পরিবেশ (নিরাপত্তা থেকে শুরু করে শ্রমবাজারের স্বাস্থ্যবিধি)। 

র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষে আছে ইউরোপের দেশ স্পেন। 

শীর্ষ দশ নম্বরের বাকি দেশগুলো যথাক্রমে ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, কানাডা ও সুইজারল্যান্ড।

মন্তব্য