| প্রচ্ছদ

বগুড়া চেম্বারের সভাপতি মিলন সিআইপি হলেন

স্টাফ রিপোর্টার
পঠিত হয়েছে ৫৬৮ বার। প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ।

বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) পরিচালক মাসুদুর রহমান মিলনকে এই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা সিআইপি (Commercially Important Person) মনোনীত করেছে সরকার।

রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরোর উপ-পরিচালক মোঃ ফয়জুল হকের স্বাক্ষর করা গত ৪ সেপ্টেম্বরের এক চিঠিতে জানানো হয়েছে, বাণিজ্য খাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার স্বীকৃতি স্বরূপ তাকে সরকারের পক্ষ থেকে সিআইপি (রপ্তানী)-২০১৭ মনোনীত করা হয়েছে। চিঠিতে মাসুদুর রহমান মিলনকে সিআইপি কার্ড গ্রহণের জন্য আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। ওইদিন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি মনোনীত সিআইপিদের মাঝে কার্ড বিতরণ করবেন।
সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী সিআইপি (রপ্তানী) কার্ডের মেয়াদ একবছর। তবে এক বছর পার হওয়ার পরে পরবর্তী বছরে সিআইপি ঘোষণা না হওয়া এর মেয়াদ বলবৎ থাকে। সিআইপিরা বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য পাস ও গাড়ির স্টিকার পান। এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠান ও মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ, ব্যবসা সংক্রান্ত ভ্রমণে বিমান, রেল, সড়ক ও জলপথে সরকারি যানবাহনে আসন সংরক্ষণ অগ্রাধিকার পাবেন। এর পাশাপাশি ব্যবসা সংক্রান্ত কাজে বিদেশে ভ্রমণের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভিসা প্রাপ্তির জন্য সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে উদ্দেশ করে লেটার অব ইন্ট্রোডাকশন ইস্যু করতে পারেন। সিআইপি হিসেবে মনোনীতদের পরিবারের সদস্যরাও কিছু সুযোগ-সুবিধা পান। তার মধ্যে স্ত্রী, পুত্র, কন্যার চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালের কেবিন সুবিধা প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার এবং বিমান বন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ-২ ব্যবহার সুবিধা।
মাসুদুর রহমান মিলনের বাবা প্রয়াত মমতাজ উদ্দিনও একাধিকবার সিআইপি মনোনীত হয়েছিলেন। বগুড়া চেম্বারর সভাপতি মাসুদুর রহমান মিলন সিআইপি ঘোষণা সম্বলিত চিঠি পাওয়ার কথা জানিয়ে বলেন, ‘সরকারিভাবে আমাকে যে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে তার জন্য আমি আনন্দিত এবং সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ।আমি বগুড়া তথা দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে ব্যবসায়ী সমাজকে নিয়ে আরও বহুদূর এগিয়ে যেতে চাই। আশাকরি আমি সকলের সহযোগিতা পাব।’

মন্তব্য