| প্রচ্ছদ

এফআর টাওয়ার: আদালতে গিয়ে তিন কর্মকর্তার জামিন

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ১৭ বার
ঢাকার বনানীর এফআর টাওয়ারকে ২৩ তলা পর্যন্ত বাড়াতে নকশা জালিয়াতির মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন তিনজন সরকারি কর্মকর্তা।

এরা হলেন- সাবেক প্রধান ইমারত পরিদর্শক মো. মাহবুব হোসেন সরকার, রাজউকের সহকারী অথোরাইজড অফিসার মো. নজরুল ইসলাম এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সৈয়দ নাজমুল হুদা।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে আসামিরা আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন।

আদালতে তাদের পক্ষে শুনানি করেন সাবেক খাদ্যমন্ত্রী আইনজীবী কামরুল ইসলাম। অন্যদিকে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল জামিনের বিরোধিতা করেন।উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিনের আদেশ দেন।

গত ২৮ মার্চ এফআর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৭ জন নিহত হওয়ার পর এই ভবন নির্মাণে নানা অনিয়মের বিষয়গুলো বেরিয়ে আসতে থাকে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি ভবনের নকশা অনুমোদনে বিধি লঙ্ঘন এবং নির্মাণের ক্ষেত্রে ত্রুটি বিচ্যুতির জন্য রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ অর্ধশতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চিহ্নিত করে প্রতিবেদন দেয়।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, এফ আর টাওয়ারের ১৮ তলার নকশা অনুমোদন করা হয়েছিল বিধি লঙ্ঘন করে। তার ওপরে আরও পাঁচটি ফ্লোর নির্মাণের নকশাকে বৈধতা দিতে বিভিন্ন পর্যায়ে দুর্নীতি হয়। ত্রুটি ও নিয়মের বত্যয় ছিল ভবনটি নির্মাণের ক্ষেত্রেও।

এফআর টাওয়ারকে ২৩ তলা পর্যন্ত বাড়াতে নকশা জালিয়াতির অভিযোগে ভবন মালিক, নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রূপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং রাজউকের সাবেক দুই চেয়ারম্যানসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করে দুদক।

এক মামলায় রাজউকের ভুয়া ছাড়পত্রের মাধ্যমে এফআর টাওয়ারকে ১৯ তলা থেকে বাড়িয়ে ২৩ তলা করা, উপরের ফ্লোরগুলো বন্ধক দেওয়া ও বিক্রি করার অভিযোগে ২০ জনকে আসামি করা হয়। এই মামলার আসামিদের তালিকায় আছেন জামিন নেওয়া ওই তিন কর্মকর্তা।

এ মামলায় এফআর টাওয়ারের মালিক এস এম এইচ আই ফারুক, এফ আর টাওয়ার ওনার্স সোসাইটির সভাপতি কাসেম ড্রাইসেলের এমডি তাসভীর-উল- ইসলামসহ কয়েকজন গ্রেপ্তার হলেও এই কর্মকর্তারা এতদিন বাইরেই ছিলেন।

মন্তব্য