| প্রচ্ছদ

কাশ্মীরে ‘গণহত্যা’ ঘিরে পরমাণু যুদ্ধের শঙ্কা ইমরানের

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৩১ বার। প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ।

কাশ্মীরে ‘আসন্ন গণহত্যা’ ঘিরে ভারতের সঙ্গে পরমাণু যুদ্ধ বেঁধে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পাকিস্তানে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ আশঙ্কা প্রকাশ করেন বলে জানায় ডন।

কাশ্মীর নিয়ে পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি দুটি পরমাণু শক্তিধর দেশের মধ্যে আকস্মিক যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

তিনিও কি তেমনটা আশঙ্কা করছেন কিনা এমন প্রশ্নে ইমরান খান বলেন, ‘অবশ্যই। কাশ্মীরে এখন যেটা ঘটছে সেটা কমবেশি গণহত্যাই। সেখানকার লোকজনের ওপর এক ধরনের বর্ণবাদী হামলা হয়েছে, নাৎসি জার্মানির পর এমনটা দেখা যায়নি।’

তিনি বলেন, ‘সেখানকার ৮০ লাখ মুসলিম প্রায় ছয় সপ্তাহ ধরে অবরুদ্ধ অবস্থার মধ্যে রয়েছে। এজন্যই এটি পাকিস্তান এবং ভারতের মধ্যে বিরোধের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। কারণ, ভারত অবৈধভাবে কাশ্মীরকে তাদের ভূখণ্ডের সঙ্গে অঙ্গীভূত করা এবং সেখানকার আসন্ন গণহত্যা থেকে নজর ঘুরিয়ে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে।’

পাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তারা সন্ত্রাসবাদের জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে নজর অন্য দিকে ঘুরিয়ে দিচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারিতে কাশ্মীরে এক যুবক ভারতীয় সেনাবহরে নিজেকে বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেয়। ভারত এজন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে এবং আমাদের ওপর বোমা হামলা চালায়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আশঙ্কা করছি এমনটা আবার ঘটতে পারে। তারা (ভারত) কাশ্মীরে যা করছে, তার একটি প্রতিক্রিয়া হতে পারে এবং সেটি যেকোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া হতে পারে। তারা কাশ্মীরের গণহত্যা থেকে বিশ্বের নজর ঘোরাতে পাকিস্তানকে দায়ী করবে।’

‘পরমাণু বোমার প্রথম ব্যবহার নীতি’র বিষয়ে ইমরান খান বলেন, ‘এনিয়ে কোনো সংশয় নেই। আমি যেটা বলতে চাই- পাকিস্তান কখনো আগে যুদ্ধ শুরু করবে না এবং এ বিষয়ে আমার অবস্থান পরিষ্কার।’

‘আমি শান্তিবাদী, আমি যুদ্ধবিরোধী মানুষ। কিন্তু আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই- যখন দুটি পরমাণু শক্তিধর দেশ যুদ্ধ করে, যদি তারা প্রচলিত যুদ্ধেও জড়ায়, শেষ পর্যন্ত তা পরমাণু যুদ্ধে গিয়ে ঠেকার সব ধরনের আশঙ্কা থাকে’ যোগ করেন তিনি।

মন্তব্য