| প্রচ্ছদ

‘আমার মাথার খুলিই উড়িয়ে দিতে চেয়েছিল আর্চার’

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৩৫ বার। প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ।

কেনিংটন ওভালে অ্যাশেজ সিরিজের শেষ ম্যাচে মাত্র চারদিনের অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দিয়েছে স্বাগতিক ইংল্যান্ড। এ জয়ে সিরিজ শেষ হয়েছে ২-২ সমতায়। তবে আগের সিরিজ জেতায় মর্যাদার অ্যাশেজ ট্রফিটা নিজেদের কাছেই রেখে দিতে পেরেছে অস্ট্রেলিয়া।

শেষ ম্যাচে ইংলিশদের জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান ম্যাথু ওয়েড। একা হাতে সেঞ্চুরি করে আশা জাগিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে এবং প্রলম্বিত করেছেন ইংল্যান্ডের জয়।

শেষপর্যন্ত দলকে জেতাতে পারেননি ওয়েড। তবে তার লড়াকু সেঞ্চুরিতে প্রশংসাবাণীর কমতি হয়নি। এ সেঞ্চুরি করতে অবশ্য অনেক কাঠখড় পোহাতে হয়েছে ওয়েডকে। কেননা তার পপিং ক্রিজ থেকে বাইশ গজ দূরে দাঁড়িয়ে একেকটা গোলা ছুড়ে মারছিলেন ইংলিশ পেসাররা, বিশেষ করে নতুন গতিতারকা জোফরা আর্চার।

ক্যারিবীয় বংশোদ্ভূত এ পেসার ওয়েডকে আউট করতে পারেননি ঠিক, তবে তার মনে ভয় ঠিকই ঢুকিয়ে দিতে পেরেছিলেন। এমনকি আর্চারের বোলিং দেখে ওয়েড ভাবছিলেন, হয়তো আজ তার গতির সামনে নিজের খুলিটাই হারিয়ে বসবেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান। তবে আর্চারের এমন আগ্রাসী বোলিংয়ের প্রশংসা করতে ভোলেননি ওয়েড।

ম্যাচ শেষে সংবাদসম্মেলনে অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান বলেন, ‘আমরা ভাবছিলাম একটা সময় হয়তো সে (আর্চার) গতি কমিয়ে নেবে। কিন্তু আমি আপনাদের বলছিলাম, নিজের পুরো স্পেলে সে একদমই গতির সঙ্গে আপোষ করেনি। সে শুধু গতি বাড়িয়েই যাচ্ছিলো।’

ওয়েড আরও বলেন, ‘আমি তখন ভাবছিলাম, আর্চার যে বলই করুক না কেন- আমি খেলতে পারবো। আর সে তখন ভাবছিলো হয়তো আমার মাথার খুলি উড়িয়ে দেবে নয়তো আমাকে আউট করে ছাড়বে। খুব ভালো একটা লড়াই ছিলো। মাঝে দারুণ কিছু বাক্য আদানপ্রদান হয়েছে, তেমন কিছু নয়। তবে দারুণ টেস্ট ক্রিকেটীয় ছিলো পুরো ব্যাপারটা।’

শেষপর্যন্ত ওয়েডের উইকেট নেয়া হয়নি আর্চারের। দারুণ এক সেঞ্চুরিতে ১১৭ রান করে জো রুটের বলে স্টাম্পিং হয়ে ফিরে যান ওয়েড। পরে ৩৯৯ রানের ২৬৩ রানে অলআউট হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ইংল্যান্ড পায় ১৩৫ রানের জয়। যার ফলে ১৯৭২ সালের পর প্রথমবারের মতো ড্র হয় কোনো অ্যাশেজ সিরিজ।

মন্তব্য