| প্রচ্ছদ

খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে গুলশান থানায় হস্তান্তর

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ২৫ বার। প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ।

রাজধানীতে অবৈধ ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে আটক যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে র‌্যাবের প্রহরায় একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে তাকে থানায় আনা হয়। 

র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি মিজানুর রহমান ভূঁইয়া জানান, খালেদ মাহমুদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর মধ্যে গুলশান থানায় অস্ত্র মামলা, মতিঝিল থানায় মাদক আইনে মামলা এবং মানিলন্ডারিং আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করা হবে।

এর আগে বুধবার রাতে খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে তার গুলশান-২ নম্বরের ৫৯ নম্বর সড়কের বাসা থেকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া তার বাসায় লাইসেন্সের মেয়াদোত্তীর্ণ আরও দুটি অস্ত্র, কয়েকশ পিস ইয়াবা, কয়েক লাখ টাকা ও কয়েক হাজার ডলার পাওয়া যায়। 

রাতে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম সমকালকে বলেন, খালেদকে গুলশানের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানে একটি অবৈধ অস্ত্র, গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গের কারণে আরও দু'টি অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফকিরাপুলের 'ইয়ংমেনস ক্লাবে'র চালানো ক্যাসিনোতে র‌্যাব অভিযান চালায়। যুবলীগের নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া এই ক্যাসিনোর সভাপতি। অভিযানে আটক ১৪২ জনকে পরে সাজা দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন, ফকিরাপুলের ইয়ংম্যানস ক্লাবে জুয়ার আসর ও বার বসানোর কোনো লাইসেন্স নেই। সেখানে অবৈধভাবে দীর্ঘদিন ধরে জুয়া ও মদের আসর বসিয়ে আসছিল একটি চক্র। বুধবারের অভিযানে দুই নারীসহ ১৪২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে। ওই ক্লাব থেকে বিপুল পরিমান মদ ও ২৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।

মন্তব্য