| প্রচ্ছদ

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে- বগুড়া জেলা প্রশাসক

স্টাফ রিপোর্টার
পঠিত হয়েছে ৫১ বার। প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ।

বগুড়া জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ বলেছেন, প্রতিটি শিশুই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলার নেতৃত্ব দিবে আমাদের আজকের শিশুরা তাই তাদের দেশের সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সকলকেই এগিয়ে আসতে হবে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাঠশালা আলোর দিশারী পরিবারের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে শহরের পৌর পার্কে উডবার্ণ পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলি বলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার প্রসার এবং তাদের বিকাশের লক্ষ্যে বগুড়ায় আলোর দিশারী পরিবারের কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। সেই সাথে ভবিষ্যতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিশুদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। আলোর দিশারী পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আহসান হাবীব বিভুর সভাপতিত্বে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বগুড়া জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও আলোর দিশারী পরিবারের প্রধান উপদেষ্টা সুলতান মাহমুদ খান রনি।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বগুড়া জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আলোর দিশারী পরিবারের অন্যতম কর্ণধার মোক্তাদেরুল ইসলাম মিম পোদ্দারের সঞ্চালনায় ও আদিত্য কুমারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সনাতন চক্রবর্তী, সরকারি আজিজুল হক কলেজের ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোখলেছুর রহমান, ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাহজাহান আলী, জার্নালবিডি২৪.কম এর প্রকাশক ও আলোর দিশারী পরিবারের উপদেষ্টা পরিমল প্রসাদ রাজ এবং বগুড়া ইয়ূথ ফোরামের সভাপতি সঞ্জু রায়। সভা পরবর্তী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এবং কেক কর্তন করা হয়।

উল্লেখ্য, সেচ্ছাশ্রমের র্ভিত্তিতে দীর্ঘ ৫ বছর ধরে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার প্রসারে উক্ত পাঠশালাটি পরিচালিত হচ্ছে যা বর্তমানে বগুড়া ছাড়াও আরো ৪ টি স্থানে পরিচালিত হচ্ছে। শুধু শিক্ষাই নয় সপ্তাহে শিশুদের চারদিন ভাল মানের খাবারও পরিবেশন করা হয়ে থাকে উক্ত পাঠশালায়। কোন শিশু যেন শিক্ষার সুযোগের অভাবে জীবন যাত্রায় থেমে না থাকে সেই লক্ষ্যে আলোর দিশারী পরিবার তাদের কার্যক্রম এভাবেই চালিয়ে যেতে চাই বলে জানান আয়োজকরা।
 

মন্তব্য