| প্রচ্ছদ

সিরাজগঞ্জে ইউএনওর বিরুদ্ধে এক বিধবার সংবাদ সম্মেলন

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ২০ বার। প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ।

আদালতের আদেশ অমান্য করে পাবলিক টয়লেট নির্মাণের চেষ্টা করায় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হুসেইন খানের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মরহুম সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী তাজলিন রহমান।

বৃহস্পতিবার শাহজাদপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মরহুম সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী তাজলিন রহমান তার মনিরামপুরের বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তাজলিন রহমান জানান, শাহজাদপুর উপজেলার দ্বারিয়াপুর মৌজার সিএস খতিয়ান নং ১৩০৫, এসএ খতিয়ান নং ০১, আরএস খতিয়ান নং ২১৬৫, সিএস/এসএ দাগ নং ৫৬৯৬, আরএস দাগ নং ১০৯৫৭-এর ১২ শতক ভূমি বাস্তবে আরএস রেকর্ড অনুসারে ১১.৮১ শতক।

এটি আমার শ্বশুর মরহুম নুরুল ইসলামের নামীয় সম্পত্তি। তার মৃত্যুর পর তার ছেলে-মেয়েরা অংশীদার হওয়ার সূত্রে আমি ও আমার ছেলে-মেয়েরা ওই সম্পত্তির প্রাপ্য অংশের মালিক। মনিরামপুর বাজারে অবস্থিত ওই সম্পত্তি আমার স্বামী জীবিতাবস্থায়ই পাকা মার্কেট নির্মাণ করে দোকান ভাড়া দিয়ে ভোগদখল করে আসছিলেন।

যা এখনও আমার ভোগদখলেই রয়েছে। ওই ভূমি এসএ রেকর্ডে ১নং খতিয়ানভুক্ত হওয়ায় তা সংশোধনের জন্য সব ওয়ারিশ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ (ডিসি, এডিসি, ইউএনও এবং এসিল্যান্ড)কে বিবাদী করে যুগ্ম-জেলা জজ, শাহজাদপুর চৌকি আদালতে ১৫/১৯ নং মামলা দায়ের করা হয়।

বর্তমানে ওই মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায় বাদীপক্ষ স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করলে আদালত গত ২০ মার্চ উভয়পক্ষের ওপর স্থিতাবস্থার আদেশ জারি করেছেন। এ অবস্থায় আদালতের এ আদেশকে অমান্য করে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হুসেইন খান ওই ভূমি জোরপূর্বক দখল করে সেখানে পাবলিক টয়লেট নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন।

আমি এ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি আমার সম্পত্তি রক্ষায় সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হুসেইন খাঁন স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, কাজটি জনস্বার্থে করা হচ্ছে। তবে সেখানে যদি আদালতের কোনো নির্দেশনা থাকে তাহলে তা করা হবে না। এছাড়া এ বিষয়ে আমার জানা ছিল না। সম্প্রতি জেনেছি। এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য