| প্রচ্ছদ

শিশু ও মাতৃমৃত্যু হ্রাসে বাংলাদেশের বলিষ্ঠ সাফল্য অর্জন: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৩৬ বার। প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ।

শিশু ও মাতৃমৃত্যু হ্রাসকল্পে বাংলাদেশের বলিষ্ঠ সাফল্য অর্জন করেছে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। ইউনিসেফ ও ডব্লিউএইচওর নেতৃত্বে শিশু ও মাতৃমৃত্যু বিষয়ে জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর তৈরি নতুন ডেটায় দেখা গেছে শিশু ও মাতৃমৃত্যু হ্রাসকল্পে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে যে দেশগুলোতে, বাংলাদেশ তাদের অন্যতম।

শুক্রবার নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০০০ সালের পর থেকে শিশুমৃত্যু প্রায় অর্ধেক এবং মাতৃমৃত্যু এক-তৃতীয়াংশের বেশি কমেছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার ব্যবস্থা উন্নত হওয়ার কারণে এটি সম্ভব হয়েছে। তবে এ সফলতার পরও বিশ্বের কোথাও না কোথাও প্রতি ১১ সেকেন্ডে একজন গর্ভবতী নারী বা নবজাতকের মৃত্যু হচ্ছে।

শিশু ও মাতৃমৃত্যু হ্রাসের ক্ষেত্রে বিশ্ব দারুণ এগিয়েছে গত ১৮ বছরে। ২০০০ সালে যেখানে ১৫ বছরের কম বয়সী ১ কোটি ৪২ লাখ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, সেখানে ২০১৮ সালে এ সংখ্যা ৬২ লাখে দাঁড়িয়েছে। তার মানে, প্রায় দু’দশকে এই কমার হার ৫৬ শতাংশ।

ডব্লিউএইচওর মতে, শিশু বা মাতৃমৃত্যু হ্রাসে সাফল্য পাওয়া দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে, বেলারুশ, কম্বোডিয়া, কাজাখস্তান, মালাওয়ি, মরক্কো, মঙ্গোলিয়া, রুয়ান্ডা, পূর্ব তিমুর ও জাম্বিয়া।

স্বাস্থ্যকর্মী খাতে বিনিয়োগ, গর্ভবতী নারী ও শিশুদের জন্য বিনা মূল্যে সেবা চালু এবং পরিবার পরিকল্পনায় সহায়তার মাধ্যমে মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার উন্নয়নে রাজনৈতিক সদিচ্ছার কারণে এ সফলতা এসেছে বলে জানায় ডব্লিউএইচও।

কয়েকটি দেশ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রতি নজর দিয়েছে।

মন্তব্য