| প্রচ্ছদ

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের আগুনে পুড়ে পাপুয়ায় নিহত ১৬

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ২৪ বার। প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ।

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় পাপুয়া রাজ্যে আগুনে পুড়ে নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৬ জন, আহত হয়েছেন কয়েক ডজন।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানা যায়, স্থানীয় শহরের একাধিক ভবনে বিক্ষোভকারীদের দেওয়া আগুনে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। বিক্ষোভকারীদের বেশির ভাগই হাইস্কুলের ছাত্র।

ওয়ামেনা শহরের এই ঘটনায় বেশ কয়েকটি ভবনে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ফলে আটকা পড়ে অনেকে মারা যান।

এক শিক্ষকের বর্ণবাদী মন্তব্যের জের ধরে সোমবারের এই বিক্ষোভের সূচনা। এর আগে আগস্টে এই অঞ্চলে বিক্ষোভ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে।

এদিকে আলাদা একটি ঘটনায় রাজ্যটির রাজধানী জয়াপুরায় চারজন নিহত হয়। ছুরি ও পাথর নিয়ে সেনা ও পুলিশের ওপর ছাত্রদের আক্রমণের পর এই ঘটনা ঘটে।

ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপনের সময় সুরাবায়ার পাপুয়ান ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকা নষ্ট করার অভিযোগ আনে জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীগুলো। এর জের আগের বিক্ষোভগুলো সংগঠিত হয়। ওই সময় শিক্ষার্থীদের তারা বানর, শূকর ও কুকুর বলে সম্বোধন করে।

পশ্চিম পাপুয়ার বিচ্ছিন্নতাবাদীদের এক মুখপাত্র বলেন, শিক্ষার্থীদের এক শিক্ষক বর্ণবাদী গালি দিলে সোমবার ওয়ামেনায় সহিংসতা শুরু হয়।

তবে স্থানীয় পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বরং স্থানীয় কয়েকটি স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরোধের জের ধরে এই সহিংসতার সূচনা হয়।

এদিকে সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জানান, সোমবার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। অনেক মানুষ আগুনের কারণে বাড়িতে আটকে পড়ায় এত হতাহত বলেও উল্লেখ করেন।

পাপুয়া দুটি প্রদেশে বিভক্ত- পাপুয়া ও পশ্চিম পাপুয়া। ১৯৬৯ সালে হাজার খানেক লোকের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত একটি ‘বিতর্কিত গণভোটের’ ভিত্তিতে অঞ্চলটি ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়। সাবেক ডাচ কলোনিটি ১৯৬১ সালে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

মন্তব্য