| প্রচ্ছদ

ক্যাসিনোতে জড়িতদের অনেকেই নজরদারিতে: ওবায়দুল কাদের

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ২৯ বার। প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ।

অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান অভিযানে সরকারি দলের অনেক নেতাই নজরদারিতে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। খবর সমকাল অনলাইন 

তিনি বলেছেন, ক্যাসিনোর সঙ্গে জড়িত নেতারা ফাঁকি দিয়ে যেন দেশের বাইরে চলে যেতে না পারেন- সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ রয়েছে। তারা বিষয়টি নজরদারিতেও রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেই জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সম-সাময়িক বিষয়ের ওপর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

এর আগে মন্ত্রণালয়ের অফিসকক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিবের সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক বিশেষ দূত জ্যাঁ টড এর নেতৃত্বে আট সদস্যের এক প্রতিনিধি দল সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এ সময় বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্টভিগ শ্যাফার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ডেমক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের চীফ অব পার্টি ক্যাটি ক্রোয়েকের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলও ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে সাক্ষাত করেন।

আওয়ামী লীগের ১০৭ জন নেতার দেশভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ধরা পরার ভয়ে ঠিক কতজন বিদেশে পালিয়ে গেছেন এবং কতজনের দেশত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে- সে বিষয়ে তার (কাদের) জানা নেই। সার্ভেইল্যান্সে (নজরদারি) আছেন অনেকে, সেটা জানেন তিনি। তবে সংখ্যাটা ঠিক জানেন না।

দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা নজরদারিতে আছেন কি-না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবই তো আওয়ামী লীগের লোকজনই। তবে যেসব অপরাধীদের বিরুদ্ধে এই অভিযান, তারা আগে কোন দলে ছিলেন- সেটি দেখার সময় এখন নয়। তারা আগে অন্য দলে থাকলেও এখন আওয়ামী লীগের নামই ব্যবহার করছেন। আর তিনি বা তারা অপরাধ করেছে বলে তাদেরই ধরা হচ্ছে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, 'আমি আমার দলে এদের নিলাম কেন? এখন সে আমার দলের পরিচয়ই ব্যবহার করছে। কাজেই আমি ঘর থেকেই অভিযান শুরু করেছি।'

বিদেশি পর্যটকদের স্বার্থে ক্যাসিনো ব্যবসা বাংলাদেশে বৈধ করা হবে কি-না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ক্যাসিনো বিষয়ে এখন টার্বুলেন্স (তোলপাড়) চলছে। তবে মাত্রই বিষয়টি সবার সামনে এসেছে। এই সময়ে এটা নীতিমালার মধ্যে এনে চালু করা হবে, না-কি একেবারেই আইডিয়াটা বাদ দেওয়া হবে- এ নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে কোনো আলাপ-আলোচনা কিংবা সিদ্ধান্ত হয়নি। কাজেই এ বিষয়ে এ মুহূর্তে মন্তব্য করতে চাই না।

মন্তব্য