| প্রচ্ছদ

বগুড়ার ধুনটে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দৃষ্টি প্রতিবন্ধি নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি
পঠিত হয়েছে ৪৬ বার। প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ।

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় এক দৃষ্টি প্রতিবন্ধি বিধবাকে ধর্ষণের অভিযোগে উত্তম কুমার (৪৫) নামে এক হাতুড়ে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। উত্তম কুমার উপজেলার ভুতবাড়ি গ্রামের জতীন্দ্র নাথের ছেলে। 

শুক্রবার দুপুর ১২ টায় মেয়েটিকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর আগে ধর্ষণের শিকার মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে উত্তম কুমারের বিরুদ্ধে ধুনট থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। 

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মেয়েটির স্বামী প্রায় ২ বছর আগে মারা গেছে। তারপরও থেকে মেয়েটি যমুনা নদীর ভুতবাড়ি বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের উপর একটি ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করে। ১০ পারা কোরআনের হাফেজ মেয়েটি স্থানীয় শিশুদের কোরআন শিক্ষার আয় দিয়ে তার জীবিকা নির্বাহ করে।

প্রায় ৬মাস আগে মেয়েটি অসুস্থ্য হয়ে ভান্ডারবাড়ি বাজারে উত্তম কুমারের নিকট চিকিৎসা নিতে যায়। চিকিৎসা প্রদানকালে জন্মান্ধ মেয়েটির উপর উত্তম কুমারের কু-দৃষ্টি পড়ে। পরে চিকিৎসা দেওয়ার অজুহাতে মেয়েটির বাড়িতে যাতায়াত করে উত্তম কুমার। অভাব অনটনের সুযোগে মেয়েটির সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এক পর্যায়ে মেয়েটি ৪মাসের অন্তঃসত্বা হয়ে পড়ে।

এই অবস্থায় গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে মেয়েটির বাড়িতে গিয়ে যৌন লালসা মিটিয়ে মেয়েটির গর্ভের ভ্রূণ নষ্ট করার জন্য ঔষধ সেবন করায় উত্তম কুমার। পরের দিনে ৬ সেপ্টেম্বর মেয়েটির গর্ভের সন্তান নষ্ট হওয়ায় অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। ফলে মেয়েটি এই ঘটনা তার বাবার কাছে প্রকাশ করে। ঘটনার পর থেকে উত্তম কুমার পলাতক রয়েছে। 

ধুনট থানার ওসি ইসমাইল হোসেন বলেন, 'ধর্ষণের শিকার মেয়েটির জবানবন্ধী রের্কডের জন্য বগুড়া আদালতে পাঠানো হয়েছে। একই সাথে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার শারীরিক পরীক্ষা করানো হবে। মামলার একমাত্র আসামী উত্তম কুমারকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।' 

মন্তব্য