| প্রচ্ছদ

দিল্লির সঙ্গে দীর্ঘ মেয়াদি সম্পর্কে সৌদি, ১০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ২৫ বার। প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ।

নয়াদিল্লির সঙ্গে দীর্ঘ মেয়াদি সম্পর্ক তৈরির কথা ভাবছে সৌদি আরব। দেশটিতে ১০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে সৌদি।

ভারতে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত সৌদ বিন মোহাম্মদ আল সাতির উদ্ধৃতি দিয়ে এমনটা জানিয়েছে আনন্দবাজার।

পত্রিকাটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ফেব্রুয়ারিতে ভারত সফরে এসে সৌদি যুবরাজ মোহম্মদ বিন সালমানের বার্তা ছিল- দু’বছরে এ দেশে অন্তত ১০ হাজার কোটি ডলারের বিনিয়োগের সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন তিনি।

এবার ওই একই অঙ্কের লগ্নির ইঙ্গিত দিয়ে সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেন, তাদের কাছে ভারত বিনিয়োগের আকর্ষণীয় ঠিকানা। বিপুল সম্ভাবনা আঁচ করেই এ দেশের বাজারে পাখির চোখ করছেন তারা।

সৌদি বিনিয়োগের গন্তব্য হতে পারে তেল, গ্যাস, পেট্রোকেমিক্যাল, শোধনাগার থেকে শুরু করে পরিকাঠামো, কৃষি, খনিজ ও খননের মতো সেক্টর।

আনন্দবাজার বলছে, ঝিমিয়ে থাকা অর্থনীতি নিয়ে এই মুহূর্তে নাস্তানাবুদ মোদি সরকার। আর এই পরিস্থিতিতে সাতির দাবি, নয়াদিল্লির সঙ্গে দীর্ঘ মেয়াদি সম্পর্ক তৈরির কথা ভাবছে সৌদি। ১০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের হাত ধরে তৈরি হতে পারে যার ভিত।

ইরান থেকে তেল কেনায় মার্কিন নিষেধাজ্ঞার জেরে তৈরি হওয়া ঘাটতি পূরণেরও আশ্বাস দিয়েছেন সাতি। বলেছেন, সম্প্রতি ড্রোন হামলায় রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থা সৌদি অ্যারামকোর উৎপাদন কমলেও, ভারতের তেল-গ্যাস ক্ষেত্রে সংস্থা বিনিয়োগের দায়বদ্ধতা পূরণে অনড়।

বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, এই উদ্যোগ প্রত্যাশিতই। কারণ, তেল-গ্যাসের চাহিদা বৃদ্ধির হারে চীনকে টেক্কা দিয়ে ভারত বিশ্বে দ্রুততম। ফলে এমন সম্ভাবনাময় বাজারকে হাতছাড়া করতে চায় না সৌদি।

এজন্য বারবার তেল শোধন, পেট্রোপণ্যে বিনিয়োগের কথা বলছে রিয়াদ। আগ্রহ দেখাচ্ছে পেট্রোল পাম্প খোলায়। অ্যারামকোও মহারাষ্ট্রে শোধনাগার ও পেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্পে অংশীদার হতে চুক্তি করেছে। প্রস্তাব দিয়েছে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের তেল শোধন ও পেট্রোকেমিক্যাল ব্যবসায় থাকতেও। সাতির বার্তা, দুই প্রস্তাবকে পুঁজি করে দু’দেশের সম্পর্ক আরও পোক্ত হবে।

বিনিয়োগের বার্তা এসেছে তেল, গ্যাসের বাইরেও। পেট্রোপণ্যে সৌদি অর্থনীতির নির্ভরতা কমাতে যে ‘ভিশন-২০৩০’ এর পরিকল্পনা করছেন যুবরাজ, তাতে অন্যান্য ক্ষেত্রেও ভারতকে সঙ্গী করার ইঙ্গিত দিয়েছেন রাষ্ট্রদূত।

মন্তব্য