| প্রচ্ছদ

তুরস্কসহ তিন দেশ থেকে আসছে পেঁয়াজ

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৩৫ বার। প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ।

তুরস্কসহ তিন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য সচিব মো. জাফর উদ্দীন। তিনি বলেন, তুরস্ক ও মিসর থেকে পেঁয়াজ আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আসতে যতটা সময় লাগে। এছাড়া মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ ভর্তি দুটি জাহাজ এসে পৌঁছেছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে একটি জাহাজের পেঁয়াজ রোববার খালাস হয়েছে। আর একটি জাহাজ আজ (সোমবার) খালাস হবে।

সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য সচিব এসব কথা জানান। খবর যুগান্তর অনলাইন 

মিয়ানমার থেকে দুটি চ্যানেলে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, একটা বর্ডার ট্রেড হিসেবে আসে টেকনাফ দিয়ে। এটা চলমান। একটা হলো ফরমাল চ্যানেলের মাধ্যমে নৌবন্দর দিয়ে।

বাণিজ্য সচিব বলেন, দেশি পেঁয়াজের মজুত যথেষ্ট রয়েছে। মজুত পরিস্থিতি জানতে ১০টি টিম পাঠাচ্ছি, যুগ্ম সচিবের নেতৃত্বে এসব টিম ১০টি জেলায় যাবে, যেখান থেকে বেশির ভাগ পেঁয়াজ আসে। এছাড়া বিভিন্ন স্থলবন্দর যেমন- বেনাপোল, বাংলাবান্ধাসহ বিভিন্ন বন্দরে আমাদের কর্মকর্তারা থাকবেন, তাদের কাজ হবে মনিটরিং করা। কারণ পেঁয়াজ পচনশীল দ্রব্য, সবাইকে এ মেসেজ দেয়। এটা রাখার দরকার নেই দ্রুত ছেড়ে দিতে হবে। কারণ পাইপলাইনে আমদানি করা পেঁয়াজ আছে। ফলে দেশের বাজারে জোগান সচল থাকবে।

জাফর উদ্দীন বলেন, টিসিবিকে আমরা নির্দেশ দিয়েছি এতদিন তারা ১৬টি ট্রাকে কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এখন সেটা বাড়িয়ে ৩৫টি ট্রাকে পেঁয়াজ বিক্রি করবে। আমরা সব সময় মনিটরিং করছি। আশা করছি, আগামীকাল (মঙ্গলবার) বা দ্রুত এর সুফল পাওয়া যাবে। আমাদের ভ্রাম্যমাণ আদালত রয়েছে। ভোক্তা অধিকার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ চারটি টিম কাজ করছে।

বাণিজ্য সচিব বলেন, ভবিষ্যতে যাতে পেঁয়াজ নিয়ে কোনো সমস্যা সৃষ্টি না হয়, সে জন্য আমরা কৃষি ও অন্যান্য মন্ত্রণালয় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদে পরিকল্পনা নিচ্ছি। আমাদের ঘাটতি খুব বেশি নয়। যেহেতু আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ কাজেই পেঁয়াজ, রসুন, আদা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদে পদক্ষেপ নিয়েছি। যাতে ভবিষ্যতে আমদানির দিকে তাকিয়ে থাকতে না হয়।

মন্তব্য