| প্রচ্ছদ

সাংবাদিক দীপঙ্কর চক্রবর্তীর মৃত্যুবার্ষিকীতে বিইউজে’র স্মরণসভা ও স্মৃতিপদক প্রদান

স্টাফ রিপোর্টার
পঠিত হয়েছে ৫৯ বার। প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০১৯ ।

সাংবাদিক দীপঙ্কর চক্রবর্তী হত্যাকান্ডের ১৫ বছর পালিত হলো নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে। বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়ন(বিইউজে) আয়োজিত কর্মসূচির মধ্যেছিলো কালোব্যাজ ধারণ, স্মরণসভা ও স্মৃতিপদক প্রদান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া-৫(শেরপুর-ধুনট) আসনের সংসদ সদস্য হাবিবর রহমান।
বুধবার বেলা ১১টায় বগুড়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বিইউজে সভাপতি আমজাদ হোসেন মিন্টুর সভাপতিত্বে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জে এম রউফের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের(বিএফইউজে) সাবেক সহ-সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য্য শংকর, নির্বাহী সদস্য ও বগুড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম নয়ন, অপর নির্বাহী সদস্য আরিফ রেহমান, শেরপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শাহ জামাল সিরাজী, শেরপুর পৌর কাউন্সিলর বদরুল ইসলাম পোদ্দার ববি, বগুড়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রেজাউল হাসান রানু, সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুর রহিম বগ্রা, জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ সিদ্দিকী, সিনিয়র সাংবাদিক মুরশিদ আলম, বিইউজে নির্বাহী সদস্য চপল সাহা, সাজেদুর রহমান সিজু, বিহঙ্গ আবৃত্তি পরিষদের সদস্য মাশুকুর রহমান প্রমুখ। 
এবারই প্রথম বিইউজে সাংবাদিকতায় দীপঙ্কর চক্রবর্তী স্মৃতিপদক প্রদান শুরু করে। প্রথমবার স্মৃতিপদক পেলেন বগুড়া প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও দৈনিক উত্তরকোণ সম্পাদক অধ্যাপক মোজাম্মেল হক তালুকদার এবং মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক ও দৈনিক কালের খবর পত্রিকার প্রধান সম্পাদক আব্দুল মোত্তালিব মানিক।
অনুৃষ্ঠানে প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য আলহাজ¦ হাবিবর রহমান বলেন, দীপঙ্কর চক্রবর্তী ছিলেন নির্ভিক ও আপোষহীন সাংবাদিক। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ^াসী হলেও তিনি সকল মতের মানুষের কাছেই ছিলেন অত্যন্ত প্রিয় মানুষ। কিন্তু সেই মানুষটিকে বিএনিপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার সময় ও তার পরবর্তীতে মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হলেও বর্তমান সরকার সেই হত্যা রহস্য উদঘাটনে আন্তরিক ছিলো। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে জঙ্গিদের চিহ্নিত করা হয়েছে। এই মামলার বিচার প্রক্রিয়া যেন ত্রুটিমুক্ত হয় এজন্য তিনি সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২ অক্টোবর রাতে কর্মস্থল দুর্জয় বাংলা পত্রিকার কাজ শেষে নিজ বাড়ি বগুড়ার শেরপুরে ফেরার পথে বাসভবনের সন্নিকটে দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত হন তিনি। ওই ঘটনায় নিহত সাংবাদিকের বড় ছেলে পার্থসারথী চক্রবর্তী বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দীর্ঘসময় থানা পুলিশ, ডিবি, সিআইডি তদন্ত করে। সর্বশেষ গত ২০১৭ সালে পুলিশ ওই হত্যাকা-ে ইসলামী সঙ্গি সংগঠন জেএমবি’র সম্পৃক্ততা বিষয়টি সামনে আনে। দেশের আলোচিত জঙ্গি হামলা হলি আর্টিজেনের অন্যতম আসামী রাজীবগান্ধি এই হত্যাকা-ে সম্পৃক্ত থাকার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন। 

 

মন্তব্য