| প্রচ্ছদ

যে ৫ দেশে নারীরা বেশি আত্মহত্যা করেন

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ২৩ বার। প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০১৯ ।

একজন মানুষ নানা কারণে আত্মহত্যা করতে পারেন। ব্যক্তিত্বের সমস্যা, গুরুতর মানসিক রোগ, মাদকাসক্তি, এনজাইটি, ডিপ্রেশন অথবা প্ররোচনাসহ আরও অনেক কারণে মানুষ আত্মহত্যা করে থাকেন।

বিশ্বের পাঁচ দেশে পুরুষের চেয়ে নারীরা বেশি আত্মহত্যা করেন বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)৷ এর মধ্যে বাংলাদেশ একটি৷ বাকিগুলো হচ্ছে- মিয়ানমার, চীন, মরক্কো ও লেসোথা।

এক গবেষণা দেখা গেছে, বাংলাদেশে প্রতি বছর এক লাখ ৩৯ দশমিক ৬ জন আত্মহত্যা করেন। ছেলেদের মধ্যে আত্মহত্যার হার বেশি হলেও বাংলাদেশে এ হার নারীদের মধ্যে বেশি।

ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর সুইসাইড প্রিভেনশন প্রতি বছরের ১০ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী ‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’ পালন করে। দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য হলো- ‘ওয়ার্কিং টুগেদার টু প্রিভেন্ট সুইসাইড’ অর্থাৎ ‘আত্মহত্যা প্রতিরোধে কাজ করি একসঙ্গে’।

চলতি বছরের ১০ সেপ্টেম্বর বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ডব্লিউএইচও৷ ২০১৬ সালের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে জাতিসংঘের এ সংস্থা৷

এতে দেখা যাচ্ছে, ২০১৬ সালে বাংলাদেশের পাঁচ হাজার ৬৬৬ নারী আত্মহত্যা করেছেন৷ এই সময়ে পুরুষের সংখ্যা ছিল তিন হাজার ৮৭৮ জন৷

এ ছাড়া বিশ্বে আত্মহত্যার হার সবচেয়ে বেশি লাতিন আমেরিকার দেশ গায়ানায়৷ সেখানে প্রতি এক লাখে আত্মহত্যা করেছেন ৩০ জন৷ এর পরেই আছে রাশিয়া৷ তাদের হার সাড়ে ২৬ শতাংশ৷

ডব্লিউএইচও বলছে, বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় আট লাখ মানুষ আত্মহত্যা করেন৷ সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানোম গেব্রিয়েসুস বলেন, এখনও প্রতি ৪০ সেকেন্ডে একজন আত্মহত্যা করছেন৷

ইতিমধ্যে ৩৮ দেশ আত্মহত্যা প্রতিরোধ কৌশল গ্রহণ করেছে জানিয়ে ডব্লিউএইচও অন্য দেশগুলোকেও এ পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে৷ কীটনাশক বিক্রি নিয়ন্ত্রণে এনে বিভিন্ন দেশ আত্মহত্যার সংখ্যা কমাতে পারে বলেও মনে করে ডব্লিউএইচও৷

সংস্থাটি বলছে, শ্রীলংকায় কীটনাশক নিয়ন্ত্রণের কারণে ১৯৯৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আত্মহত্যার হার ৭০ শতাংশ কমেছে৷ অর্থাৎ প্রায় ৯৩ হাজার প্রাণ বেঁচেছে বলে জানায় তারা৷

 

সূত্র: ডয়েচ ভেলে

মন্তব্য